
কামরুল০১৮৮৩০৮৮০৮৪
বিচারপ্রার্থী নারীকে কুপ্রস্তাব যদি দিয়ে থাকে পুলিশ অফিসার তাহলে তার বিরুদ্ধে সঠিক তদন্ত করে যদি পুলিশ অফিসার দুষী হয় তাহলে তার বিচার হওয়া উচিত বলে মনে করেন সচেতন নাগরিক সমাজ।কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের একজন সফল ও ভালোমানের ওসি শিফাত আর তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বানোয়াট অভিযোগ এনে থাকে ফাঁসানোর কি দরকার বলে মনে করেন সচেতন নাগরিক সমাজ।তিনি কোন রহস্যজনক নীরবতায় পালন করছেন না।তিনি তার অধিনস্তদ অফিসারের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ যতক্ষণ পর্যন্ত তদন্তের ভিত্তিতে এ অফিসার দোষী সাব্যস্ত না হয় ততক্ষণ ওসি হিসেবে ভালমন্দ কিছু বলা উচিত বলে মনে করেন না সচেতন নাগরিক সমাজ। সচেতন নাগরিক সমাজ আরো বলেন এই ঘটনা নিয়ে জনমনে তোলপাড় হওয়ার কিছু নেই। এই বিষয়ে সচেতন নাগরিক সমাজ আরো বলেন ঈদগাঁওর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন এক চরম বিপর্যয়ে নয় বরং সাহসী চৌকষ ক্যাডেট পুলিশ অফিসার ইনচার্জ ওসি শিফাত ঈদগাঁও থানায় যোগদান করার পর থেকে আরো উন্নত হয়েছে আইন শৃঙ্খলা।আমরা তদন্ত করে দেখেছি উনি পূর্বে যেই থানায় ওসি হিসেবে ছিলেন সেই থানাতে ও শিফাতের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই। অথচ কিছু ষড়যন্ত্রকারীরা একের পর এক মিথ্যা বানোয়াট অপপ্রচার চালাচ্ছে ওসি শিফাত ও তার অধিনস্ত পুলিশ অফিসারদের বিরুদ্ধে। পুলিশের বিরুদ্ধে যেই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বানোয়াট অপপ্রচার করছে বিচারপ্রার্থী এক নারী । এই নারীযে বলেছেন থাকে এক পুলিশ অফিসার কুপ্রস্তাব দিয়েছেন এই অভিযোগের সঠিক তদন্ত করে দোষী ব্যক্তির সঠিক বিচার হওয়া দরকার বলে মনে করেন সচেতন নাগরিক সমাজ। কেননা এটি একটি বিচারের আওতায় আনার মত ন্যক্কারজনক অভিযোগ ।
দরগারোডে ব্যবসায়ী সাঈদের ওপর সশস্ত্র হামলা ও ভাদিতলায় ডাকাতির ঘটনায় যখন এলাকা জুড়ে আতঙ্ক, তখন ন্যায়বিচারের আশায় থানায় গিয়ে সাবেকুন নাহার নামক এক নারী যে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন, তা পুরো পুলিশ বিভাগের ভাবমূর্তিকে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার জন্য কেউ এই নারী কে দিয়ে ষড়যন্ত্র ও করতে পারে ।
ভুক্তভোগী সাবেকুন নাহারের অভিযোগযে সঠিক তা তদন্ত না করে বলা যাবেনা, তিনি বিচারের আশায় থানায় গেলে এএসআই অন্তু বড়ুয়া এবং বেতার অপারেটর আলী তাকে আইনি সহায়তা দেওয়ার পরিবর্তে অনৈতিক প্রস্তাবের জালে আটকে ফেলার চেষ্টা করেন তার কি প্রমাণ আছে তা খতিয়ে দেখা দরকার বলে মনে করেন সচেতন নাগরিক সমাজ। ভুক্তভোগী নারীর ভাষ্যমতে, "থানায় গেলে তাকে কক্সবাজারে (হোটেলে) যাওয়ার কুপ্রস্তাব দেওয়া হয় বলে উল্লেখ করেন এই নারী। তিনি আরো বলেন আমি যখন তাদের কুপ্রস্তাবে রাজি হইনি, তখন তারা আমাকে সরাসরি হুমকি দেয় যে, তাদের কথা না শুনলে কোনো বিচার হবে না এই মহিলার এই অভিযোগ যদি সঠিক হয় তাহলে উপযুক্ত বিচার হওয়া দরকার।" একজন অসহায় নারী যখন তার ওপর হামলার বিচার চেয়ে থানায় যান, তখন পুলিশের এমন পৈশাচিক রূপ কেবল আইনি পেশার অবমাননাই নয়, বরং এটি মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)র ভূমিকা তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত কারো পক্ষ নেওয়া উচিত বলে মনে করেন না সচেতন নাগরিক সমাজ।বরং নীরব ভাবে সঠিক তদন্ত করা ওসি সাহেবের নৈতিক দায়িত্ব যা ওসি শীফাত পালন করছেন বলে মনে করেন সচেতন নাগরিক সমাজ। ভুক্তভোগী নারী এএসআই ও অপারেটরের এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে ওসির কাছে অভিযোগ করেন এবং ওসি শিফাত অভিযোগ টা গ্রহণ করেছেন । একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে ওসি শিফাত তার দ্বায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করছেন বলে মনে করেন সচেতন নাগরিক সমাজ। তবু একটা ষড়যন্ত্র মহল ওসি শিফাতের বিরুদ্ধে কেন এই ষড়যন্ত্র তা কারো বোধগম্য নয়।
Daily Bangladesh Patrika