
ফারুকুর রহমান বিনজু :পটিয়া চট্টগ্রাম, প্রতিনিধি-চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড সুচক্রদন্ডী গ্রামের জগন্নাথ ধাম মিলন মন্দির পূজা মন্ডপের প্রবেশ ধারে ২০ফুট ওপরে মা দূর্গার বিশাল মুখ আকৃতির রুপ দিয়ে শুরুতেই আলোড়ন সৃষ্টি করে। আলোকসজ্জা এখনো বাকী, তারপরও দর দুরান্ত হতে দেখতে ভীড় জমাচ্ছে কৌতুহলী লোকজন।
মন্ডপের প্রবেশধারের মুখে মা দূর্গার বিশাল মুখমন্ডলকে শিল্পী এমন সুন্দর ভাবে সাজিয়ে তুলছেন এবং বিশাল একটি হাত দর্শনাথীদের উদ্দেশ্য প্রর্দশন করছে যেন মনে হয় শান্তির বার্তা নিয়ে স্বয়ং মা দূর্গা এই মন্ডপে হাজির।শান্তির করুণাময় আশির্বাদ ও অভয়ের রুপ তুলে ধরা হয়।সেই সাথে ধর্মের পাশাপাশি সড়ক দূর্ঘটনায় নিজের জীবনের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দেয়া হয়।
"পথেই জীবন" শ্লোগান দিয়ে সড়কে গাড়ি চলাচলের দৃশ্য নিখুঁত ভাবে ফুটিয়ে তুলছেন শিল্পী।যেন সড়ক পথে সাবধানে চলাচলের দূঘর্টনার আগাম সর্তক বার্তা দিয়ে যাচ্ছেন স্বয়ং মা দূর্গাদেবী।
ভাস্কর্য শিল্পী নয়ন দে বলেন,বর্তমান সড়ক পথে যে হারে দূঘর্টনায় লোক মারা যাচ্ছে। তাতে আমাদের অসাবধানতার কারণে। তাই সকলকে সড়ক পথে চলার সময় যাতে আমরা সাবধানতা অবলম্বন করি,তা আমি এই বারের দূর্গাপূজায় মা দূর্গাদেবীর প্রতীমার মাধ্যমে সকলকেই জানান দিচ্ছি।
দর্শনাথী সাংবাদিক সুজিত দত্ত বলেন,শুধু ধর্ম নিয়ে থাকলে হবে না।ধর্মের পাশাপাশী জনকল্যাণ মুলক কর্মের সম্পৃক্ততা থাকতে হবে।সেটাই ধর্ম।যাহা সড়ক দূঘর্টনার সর্তকবার্তা দিয়ে এই পূজা মন্ডপে দেখা যায়।
জগন্নাথ ধামের মিলন মন্দির উন্নয়ন ও দূর্গোৎসব কমিটির সাধারণ সম্পাদক স্বপন বিশ্বাস ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক অরজিত দে বাবু বলেন,দক্ষিণ চট্টগ্রামে আমাদের পূজা মন্ডপ সেরা হবে কারণ আমরা ভিন্ন কিছু উপহার দিতে পেরেছি দর্শণার্থীদের।
Daily Bangladesh Patrika