
কামরুল০১৮৮৩০৮৮০৮৪
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের হামলার মুখে পড়েছে পুলিশ, যার ফলে ৩ পুলিশ সদস্য এবং মামলার বাদীসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের ৩০ আগস্ট রবিবার রাত ১১টার দিকে বোয়ালখালী উপজেলার চরণদ্বীপ ইউনিয়নের মসজিদঘাটা এলাকায় এই তুলকালাম ঘটনাটি ঘটে।এই ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:ঘটনার বিবরণ ও আসামির পলায়নমূল আসামি: গ্রেপ্তার করতে যাওয়া আসামির নাম মোহাম্মদ মহিউদ্দিন (২৮)। তিনি একটি নালিশি মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি ছিলেন।হামলা ও ধস্তাধস্তি: পুলিশ যখন মহিউদ্দিনকে আটক করে হ্যান্ডকাফ পরায়, তখন তার পরিবারের নারী সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে আঁচড় ও কামড় দেয়। তারা পুলিশকে বাধা দিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।হ্যান্ডকাফসহ পলায়ন: এই তীব্র ধস্তাধস্তির সুযোগে মহিউদ্দিন হ্যান্ডকাফ পরিহিত অবস্থাতেই পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যান।আহতদের তালিকাএই সংঘর্ষ ও ধস্তাধস্তিতে মোট ৫ জন আহত হন এবং ৩ পুলিশ সদস্যকে বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়:এসআই আবদুল হালিম (৪৮)এএসআই মাসুম বিল্লাহ (৩৫)কনস্টেবল হাসানুজ্জামান (3২)মামলার বাদী আব্দুল মান্নান (যিনি পুলিশের সাথে আসামিকে চিনিয়ে দিতে গিয়েছিলেন)আসামির পক্ষের আরও ১ জনপুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ ও গ্রেপ্তারপুনরায় গ্রেপ্তার: আসামি পালিয়ে যাওয়ার পর বোয়ালখালী থানা পুলিশ ওই রাতেই পুরো এলাকায় একটি সাঁড়াশি অভিযান চালায়। পরবর্তীতে একই এলাকা থেকে হ্যান্ডকাফসহ মহিউদ্দিনকে আবারো গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।সহযোগী আটক: পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া এবং হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে চরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের এক গ্রাম পুলিশ সদস্যসহ (যিনি আসামির আত্মীয়) মোট দুজনকে আটক করা হয়েছে।নতুন মামলা: সরকারি কাজে বাধা দান এবং পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে বোয়ালখালী থানায় একটি নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে।এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামি বা মামলার আইনি প্রক্রিয়ার আর কোনো সর্বশেষ আপডেট (যেমন: তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে কিনা) সম্পর্কে জানতে চান?
Daily Bangladesh Patrika