
খ,ম,জায়েদ হোসেন,নাসিরনগর
(ব্রাহ্মণবাড়ীয়া) প্রতিনিধিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাঁটতে না কাঁটতেই চায়ের স্টল থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গনে ফের নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এরই মধ্যে উপজেলা নির্বাচন নিয়ে মানুষের মাঝে তৈরী হচ্ছে নানান ধরনের কৌতুহল।
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা তৃণমূল পর্যায়ে ভোটাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে নিজ নিজ এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা ও পদসভা ইতিমধ্যেই শুরু করেছেন। প্রার্থীরা নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন হাট- বাজারে, সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন - দিচ্ছেন নানান ধরনের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি।
ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে এলাকার চায়ের স্টল থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গণে আলোচনার নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। স্থানীয় জনমত ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আলোচনায় বারবার উঠে আসছে এক তরুণ ও জনপ্রিয় নেতার নাম উপজেলা শাখার ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে সদর ইউনিয়ন বিএনপির সংগ্রামী সভাপতি সৈয়দ আবু সারোয়ার। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে রাজপথের লডাকু সৈনিক কারানির্যাতীত তরুণ প্রজন্মের আস্থাভাজন নেতা, সৈয়দ আবু সারোয়ার।
সাধারণ মানুষ হতে শুরু করে রাজনৈতিক নীতিনির্ধারণী মহল মনে করছেন, আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তিনি প্রার্থী হলে নাসিরনগর উপজেলা
উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকার মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। মফস্বল, গ্রাম থেকে শুরু করে শহরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে রয়েছে তার নিবিড় সম্পর্ক।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজ উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করায় তিনি ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও
মানবিক উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন সৈয়দ আবু সারোয়ার। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার অবদান স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত। দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা প্রদান, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সহযোগিতা এবং সামাজিক উদ্যোগে তার সম্পৃক্ততা এলাকার মানুষের কাছে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।
এছাড়া মসজিদ, মাদ্রাসা ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সহযোগিতা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত। বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে ত্রাণ সামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে মানুষের দ্বারে পৌঁছে গেছেন,যা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল ও ভোটারদের মতে, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার কারণে সৈয়দ আবু সারোয়ার অন্যদের থেকে আলাদা। তারা মনে করেন, অবহেলিত এই জনপদকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট উপজেলায় রূপান্তর করতে তার মতো শিক্ষিত, তরুণ ও সাহসী নেতৃত্বের প্রয়োজন।
সৈয়দ আবু সারোয়ার বলেন,
“আমি পদ-পদবীর চেয়ে মানুষের সেবাকে বেশি গুরুত্ব দিই। নাসিরনগর আমার জন্মভূমি ও প্রাণের জায়গা। এলাকার মানুষের প্রত্যাশা পূরণ এবং একটি দুর্নীতিমুক্ত, উন্নত উপজেলা গড়তে আমি সবসময় কাজ করে যেতে চাই।
নির্বাচনী আমেজ বাড়ার সাথে সাথে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লা,সবখানেই এখন একটি আলোচনাই বেশি শোনা যাচ্ছে। অনেকেরই প্রত্যাশা, আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সৈয়দ আবু সারোয়ার চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় নাসিরনগর উপজেলাবাসী।
Daily Bangladesh Patrika