মোল্লাহাটে সাবেক শ্রমিকলীগ নেতা সোহাগশেখ গুলিতে নিহত
রবি ডাকুয়া,বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
Update Time :
রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
১২১
Time View
মোল্লাহাটে সাবেক শ্রমিকলীগ নেতা সোহাগশেখ গুলিতে নিহত
রবি ডাকুয়া,বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় গুলিতে নিহত হয়েছেন শ্রমিক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোহাগ শেখ। শনিবার রাতে ঘটে যাওয়া এই হত্যাকাণ্ডে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। উদয়পুর বাজার থেকে ফেরার পথে হামলা স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাত প্রায় দশটার দিকে উদয়পুর বাজারে নিজের দোকান বন্ধ করে বাড়ির পথে হাঁটছিলেন সোহাগ শেখ। বাড়ি ফেরার সময় উদয়পুরের পানবাজার এলাকার একটি পাবলিক টয়লেটের সামনে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আকস্মিক এই হামলার পরপরই হামলাকারীরা দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তার শরীরে একাধিক গুলির আঘাত ছিল। নিহত সোহাগ শেখের বয়স প্রায় পঁয়তাল্লিশ বছর। তিনি উদয়পুর গ্রামের বাসিন্দা এবং আবু দাউদ শেখের ছেলে। একসময় তিনি মোল্লাহাট উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি উদয়পুর বাজারে তার একটি হার্ডওয়্যার ব্যবসাও ছিল। মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী রমজানুল হক জানিয়েছেন, কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি ব্যবসায়িক বিরোধ নাকি রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব—তা তদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ কাজ শুরু করেছে। এই হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
101
রবি ডাকুয়া,বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় গুলিতে নিহত হয়েছেন শ্রমিক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোহাগ শেখ। শনিবার রাতে ঘটে যাওয়া এই হত্যাকাণ্ডে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে।
উদয়পুর বাজার থেকে ফেরার পথে হামলা
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাত প্রায় দশটার দিকে উদয়পুর বাজারে নিজের দোকান বন্ধ করে বাড়ির পথে হাঁটছিলেন সোহাগ শেখ। বাড়ি ফেরার সময় উদয়পুরের পানবাজার এলাকার একটি পাবলিক টয়লেটের সামনে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আকস্মিক এই হামলার পরপরই হামলাকারীরা দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।
হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তার শরীরে একাধিক গুলির আঘাত ছিল।
নিহত সোহাগ শেখের বয়স প্রায় পঁয়তাল্লিশ বছর। তিনি উদয়পুর গ্রামের বাসিন্দা এবং আবু দাউদ শেখের ছেলে। একসময় তিনি মোল্লাহাট উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি উদয়পুর বাজারে তার একটি হার্ডওয়্যার ব্যবসাও ছিল।
মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী রমজানুল হক জানিয়েছেন, কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি ব্যবসায়িক বিরোধ নাকি রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব—তা তদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ কাজ শুরু করেছে।
এই হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।