ব্যাচমেট আশরাফের অকাল প্রয়াণ: ফেসবুকে ঢাকা জেলা প্রশাসকের আবেগঘন বার্তা
আমজাদ হোসেন মিঠু, বিশেষ প্রতিনিধি
Update Time :
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
২৬
Time View
ব্যাচমেট আশরাফের অকাল প্রয়াণ: ফেসবুকে ঢাকা জেলা প্রশাসকের আবেগঘন বার্তা
আমজাদ হোসেন মিঠু, বিশেষ প্রতিনিধি বিসিএস ব্যাচমেট ও উপ-সচিব আশরাফের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই পোস্টে সহকর্মীকে হারানোর তীব্র যন্ত্রণা ও তাঁর সঙ্গে কাটানো শেষ মুহূর্তগুলোর স্মৃতি তুলে ধরেন তিনি। জেলা প্রশাসক জানান, গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে গান লাইসেন্স সংক্রান্ত কাজে অফিসে এসেছিলেন উপ-সচিব আশরাফ। কাজের ফাঁকে দুজন একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ করেন। খাবার টেবিলে পদোন্নতি না পাওয়ার এক সীমাহীন অব্যক্ত কষ্টের কথা শেয়ার করেছিলেন আশরাফ। সে সময় ঢাকা ডিসি তাঁকে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, আগামী রিভিউতে তিনি অবশ্যই তাঁর পাশে থাকবেন। জেলা প্রশাসকের অফিসে আশরাফের সম্মানে বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়। তবে খাবার টেবিলে ডায়াবেটিসের কথা জানিয়ে খুব সামান্যই খেয়েছিলেন তিনি। আশরাফের বিনয় ও সৌজন্যবোধের কথা স্মরণ করে ডিসি লেখেন, অফিসে প্রবীণ কেউ এলেই প্রতিবারই উঠে দাঁড়াচ্ছিলেন আশরাফ। ডিসি ব্যাচমেট হিসেবে এতবার না দাঁড়ানোর অনুরোধ করলে তিনি হেসে উত্তর দেন, "আপা, এটা চেয়ারের রেস্পেক্ট।" বিকেল চারটার দিকে অফিস ছেড়ে যাওয়ার সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে একটি স্মৃতি উপহার দেওয়া হয়, যাতে দুটি চায়ের কাপ ছিল। সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে আশরাফও বার্তা পাঠিয়ে উপহারের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। সহকর্মীর এই অনাকাঙ্ক্ষিত চলে যাওয়া মেনে নিতে না পেরে জেলা প্রশাসক লেখেন, "একেবারে তাজা স্মৃতি! ওহ সৃষ্টিকর্তা, এই কি তোমার সৃষ্টির রহস্য! এই কি আপনার চলে যাওয়ার বয়স, প্রিয় ভাইটা আমার!" পোস্টের শেষ অংশে প্রয়াত সহকর্মীর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে তিনি লিখেন, "আফসার, আজকে থেকে আপনি ওপারে অপেক্ষায় থাকবেন দিন, মাস, বছর, যুগ-যুগান্তর। আমরাও আসবো! আবারও দেখা হবে কোন এক ধূসর মুহূর্তে।" সেই সঙ্গে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
45
আমজাদ হোসেন মিঠু,
বিশেষ প্রতিনিধি
বিসিএস ব্যাচমেট ও উপ-সচিব আশরাফের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই পোস্টে সহকর্মীকে হারানোর তীব্র যন্ত্রণা ও তাঁর সঙ্গে কাটানো শেষ মুহূর্তগুলোর স্মৃতি তুলে ধরেন তিনি।
জেলা প্রশাসক জানান, গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে গান লাইসেন্স সংক্রান্ত কাজে অফিসে এসেছিলেন উপ-সচিব আশরাফ। কাজের ফাঁকে দুজন একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ করেন। খাবার টেবিলে পদোন্নতি না পাওয়ার এক সীমাহীন অব্যক্ত কষ্টের কথা শেয়ার করেছিলেন আশরাফ। সে সময় ঢাকা ডিসি তাঁকে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, আগামী রিভিউতে তিনি অবশ্যই তাঁর পাশে থাকবেন।
জেলা প্রশাসকের অফিসে আশরাফের সম্মানে বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়। তবে খাবার টেবিলে ডায়াবেটিসের কথা জানিয়ে খুব সামান্যই খেয়েছিলেন তিনি। আশরাফের বিনয় ও সৌজন্যবোধের কথা স্মরণ করে ডিসি লেখেন, অফিসে প্রবীণ কেউ এলেই প্রতিবারই উঠে দাঁড়াচ্ছিলেন আশরাফ। ডিসি ব্যাচমেট হিসেবে এতবার না দাঁড়ানোর অনুরোধ করলে তিনি হেসে উত্তর দেন, “আপা, এটা চেয়ারের রেস্পেক্ট।”
বিকেল চারটার দিকে অফিস ছেড়ে যাওয়ার সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে একটি স্মৃতি উপহার দেওয়া হয়, যাতে দুটি চায়ের কাপ ছিল। সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে আশরাফও বার্তা পাঠিয়ে উপহারের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।
সহকর্মীর এই অনাকাঙ্ক্ষিত চলে যাওয়া মেনে নিতে না পেরে জেলা প্রশাসক লেখেন, “একেবারে তাজা স্মৃতি! ওহ সৃষ্টিকর্তা, এই কি তোমার সৃষ্টির রহস্য! এই কি আপনার চলে যাওয়ার বয়স, প্রিয় ভাইটা আমার!”
পোস্টের শেষ অংশে প্রয়াত সহকর্মীর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে তিনি লিখেন, “আফসার, আজকে থেকে আপনি ওপারে অপেক্ষায় থাকবেন দিন, মাস, বছর, যুগ-যুগান্তর। আমরাও আসবো! আবারও দেখা হবে কোন এক ধূসর মুহূর্তে।” সেই সঙ্গে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।