
রিয়া চক্রবর্তী
ডবলমুরিংয়ের সকল অপরাধের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে রাত দিন কঠোর পরিশ্রম করে অবৈধ জুয়ার আসর , সন্ত্রাস মাদক এক প্রকার নিরমুল করে শান্তি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন ওসি শাহীনুর।
কিন্তু কিছু দিন পূর্বে ওসি শাহিন কে ডবলমুরিং থানা থেকে বদলি করে বাকলিয়া থানার দায়িত্ব দিয়ে বাকলিয়া থানায় পাঠিয়েছেন উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ। এই বিষয়ে ডবলমুরিং থানার জনসাধারণ বলেছেন ওসি শাহিন কে ডবলমুরিং থানা থেকে বদলি করে কাজটা ঠিক হয়নি কারণ ডবলমুরিং থানায় আবারো শুরু হয়েছে সকল অপরাধ শুধু তাই নয় চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবলমুরিং থানাধীন হাড্ডি কোম্পানি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কথিত অবৈধ জুয়ার আসর বন্ধ করে ছিলেন সাহসী, চৌকষ ক্যাডেট পুলিশ অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহীন । কিন্তু অতিব দুঃখের বিষয় বর্তমানে আবারো পরিচালিত হওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা এই বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে এই বিষয়ে তাঁরা পুলিশ কমিশনারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। ডবলমুরিং থানায় আবারো ওসি শাহীনের মতো একজন ধার্মিক ও পরিচ্ছন্ন সাহসী ও চৌকষ ক্যাডেট পুলিশ অফিসার ইনচার্জ ওসি পাওয়ার আশা করেন এলাকাবাসী, ইসলাম উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় জুয়ার আসর পরিচালনা করে আসছিলেন কিন্তু সাহসী চৌকষ ক্যাডেট পুলিশ অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহীনের হস্তক্ষেপে নুরুল ইসলাম এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। কিন্তু ওসি শাহিনের বদলির সাথে সাথে জুয়াড়ি নুরুল ইসলাম আবারো এলাকায় ফিরে আসেন জুয়াড়ি নুরুল ইসলাম কে রিতিমত এলাকায় দেখা যাচ্ছে। দিন-রাত প্রায় নিরবচ্ছিন্নভাবে সেখানে জুয়ার আসর বসা শুরু হয়েছে এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এসে অংশ নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশিত হলেও পরিস্থিতির তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। বরং জুয়ার আসর আবারো রিতিমত শুরু হয়েছে বলে দাবি করেন।
অভিযোগের বিষয়ে (ওসি) আরিফ ফয়সালের সঙ্গে মোবাইল ফোনে এবং পরে থানায় গিয়ে সরাসরি কথা বলেন প্রতিনিধি। এ সময় ওসি আরিফ ফয়সাল জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি একাধিকবার ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেছেন। তিনি সাংবাদিককে প্রয়োজনে অভিযানে সঙ্গে থাকারও আহ্বান জানান।
তবে ওসির এই বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই। তাদের দাবি, তারা ওসি শাহিনের বদলির পর কখনো ওই এলাকায় পুলিশের দৃশ্যমান অভিযান বা নিয়মিত টহল দেখেননি। ফলে কার্যকর অভিযান আদৌ পরিচালিত হয়েছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ জুয়ার আসরকে কেন্দ্র করে এলাকায় সামাজিক অবক্ষয় বাড়ছে। কিশোর ও যুবসমাজের একটি অংশ জুয়ার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পরিবার ও সমাজে পড়ছে। তারা দ্রুত এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এদিকে, স্থানীয়দের একাংশ ওসি আরিফ ফয়সালের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তারা অভিযোগ করেছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে ওসির বিরুদ্ধে স্থানীয়দের তোলা এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং এ বিষয়ে কোনো প্রমাণও উপস্থাপন করা হয়নি।
এলাকাবাসী চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি ঘটনাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভাগীয় পুলিশ কমিশনার এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্ত করে অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।