গ্রাহক ফোন করে বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে দুঃখ প্রকাশ । জিএম কে তাৎক্ষণিক বরখাস্ত
Reporter Name
Update Time :
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
১১
Time View
গ্রাহক ফোন করে বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে দুঃখ প্রকাশ । জিএম কে তাৎক্ষণিক বরখাস্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক মগুরা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি আড়পাড়া জোনাল অফিস এর আওতায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিল ৫০৬ কোটি টাকা ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিল ৫০৬ কোটি টাকা মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন একজন গ্রাহক। অথচ তার নামে বিল এসেছে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা। অস্বাভাবিক এই বিল দেখে হতবাক হন গ্রাহক ও তার পরিবারের সদস্যরা। পরে বিদ্যুৎ বিভাগের ভুল ধরা পড়লে বিলটি সংশোধন করে নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। ওই বিলই পরিশোধ করেছেন গ্রাহক। সম্প্রতি মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। ভুক্তভোগী মোছা. আলেয়া খাতুন ওই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী। তার নামে সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসের এই বিল ইস্যু করেছে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিস। বিলের তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ সেপ্টেম্বর মিটারের বর্তমান রিডিং ছিল ৩৯৫ এবং ৮ আগস্টের পূর্ববর্তী রিডিং ছিল ১৬০। অর্থাৎ এক মাসে ওই গ্রাহকের বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে ২৩৫ ইউনিট। কিন্তু ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে বিলটিতে ডিমান্ড চার্জ হিসেবে দেখানো হয় ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা। এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট এবং ১০ টাকা মিটার ভাড়া যোগ করা হয়। সব মিলিয়ে বিলের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ ওই বিলের পরিমাণ দাঁড়ানোর কথা ছিল ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা। অথচ ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রকৃত বিল ছিল ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ এর পরিমাণ হওয়ার কথা ২ হাজার ৫৬ টাকা
20
নিজস্ব প্রতিবেদক
মগুরা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি আড়পাড়া জোনাল অফিস এর আওতায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিল ৫০৬ কোটি টাকা
২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিল ৫০৬ কোটি টাকা
মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন একজন গ্রাহক। অথচ তার নামে বিল এসেছে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা। অস্বাভাবিক এই বিল দেখে হতবাক হন গ্রাহক ও তার পরিবারের সদস্যরা। পরে বিদ্যুৎ বিভাগের ভুল ধরা পড়লে বিলটি সংশোধন করে নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। ওই বিলই পরিশোধ করেছেন গ্রাহক।
সম্প্রতি মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। ভুক্তভোগী মোছা. আলেয়া খাতুন ওই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী। তার নামে সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসের এই বিল ইস্যু করেছে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিস।
বিলের তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ সেপ্টেম্বর মিটারের বর্তমান রিডিং ছিল ৩৯৫ এবং ৮ আগস্টের পূর্ববর্তী রিডিং ছিল ১৬০। অর্থাৎ এক মাসে ওই গ্রাহকের বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে ২৩৫ ইউনিট।
কিন্তু ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে বিলটিতে ডিমান্ড চার্জ হিসেবে দেখানো হয় ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা। এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট এবং ১০ টাকা মিটার ভাড়া যোগ করা হয়। সব মিলিয়ে বিলের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ ওই বিলের পরিমাণ দাঁড়ানোর কথা ছিল ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা। অথচ ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রকৃত বিল ছিল ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ এর পরিমাণ হওয়ার কথা ২ হাজার ৫৬ টাকা