
কামরুল০১৮৮৩০৮৮০৮৪
(সিএমপি)র আকবর শাহ থানার আওতায় একে খাঁন মোড়ে বিলাস বহুল আব্দুর রহিম টাওয়ারে সিটি প্যালেস হোটেলে পুলিশকে ম্যানেজ করে চলেছে রম রমা দেহ ব্যবসা। নাম গোপন করার শর্তে এক প্রতিতা বলেন সিটি প্যালেস হোটেলে এক রাতে কাজ করে ৫০০০(পাঁচ হাজার) হাজার টাকা থেকে বিশ হাজার টাকা আয় করেছি।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দলোনের ছাত্ররা একাধিক বার, এই হোটেলে অভিযান পরিচালনা করেছেন।কিছুদিন তারা তাদের অপকর্ম বন্ধ রাখে,তার পরে জাতীয় নির্বাচনের পর আবার শুরু করে দেহ ব্যবসা।
অনেকবার তাদেরকে অনুরোধ সহ গুরুত্বপূর্ণ ভাবে নিষেধ করেছিল ছাত্ররা।কিন্তু তারা তাদের ব্যবসা বন্ধ রাখেনি।তারা ধারাবাহিকতায় গত কাল রবিবার গোপন ভাবে তদন্ত করে দেখতে পেলাম আকবর শাহ থানা এলাকায় একে খান মোড়ে আব্দুর রহিম টাওয়ারে সিটি প্যালেস হোটেলে আবার ও জমজমাট ভাবে চলছে অবৈধ দেহ ব্যবসা ।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দলোনের অন্যতম সদস্য রিপন জানান,আমরা আন্দোলনের পর হোটেল গুলোতে অভিযান চালিয়ে ছিলাম কিন্তু জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর যেমন সন্ত্রাস মাদক , কিশোর গ্যাং এর কার্যক্রম বন্ধ ছিল তার পাশাপাশি হোটেল গুলোতে দেহ ব্যবসা ও বন্ধ ছিল কিন্তু অতিব দুঃখের বিষয় পূর্বের মত আবার ও শুরু হয়েছে দেহ ব্যবসা । হোটেল গুলো অপকর্মে লিপ্ত থাকায় আমরা তাদেরকে ধরে পুলিশের হাতে দিয়েছিলাম কিন্তু অতিব দুঃখের বিষয় এই বিষয়ে থানার পক্ষ থেকে কোন ধরনের সহযোগিতা পাইনি আজকে ও এই বিষয়ে আকবর শাহ থানার নবাগত ওসি সাহেব কে অবগত করা হয়েছে ওসি সাহেব বলেন অচিরেই অভিযান পরিচালনা করা হবে কিন্তু কখন করা হবে এই বিষয়ে সাংবাদিকদের নিশ্চয়তা দেননি। আরেকজন পতিতা বলেন,দেহ ব্যবসার ঘটনা সত্য, প্রতিদিন রাতে ৫ থেকে ১০জন করে মহিলা আসে,আর ভোর বেলা চলে যায়।তবে এর ভাগ শুধু আমরা একাই পাই না,হোটেল মালিক আমাদের কাছ থেকে নিয়মিত টাকা নেয় এবং এই টাকা থেকে আকবর শাহ থানার ওসি সাহেব থেকে শুরু করে অফিসারদের দেওয়া হয়।