সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর শ্যামনগরের জেলে-বাওয়ালীদের স্মারকলিপি
Reporter Name
Update Time :
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
১৬
Time View
সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর শ্যামনগরের জেলে-বাওয়ালীদের স্মারকলিপি
পরিতোষ কুমার বৈদ্য, শ্যামনগর(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ বনদস্যুমুক্ত করা, বনজীবীদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বনদস্যুদের বিরুদ্ধে কার্যকর ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন সুন্দরবন উপকূলের সর্বস্তরের জনগণ ও বনজীবীরা। রবিবার (২রা নভেম্বর) বিকালে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। সুন্দরবন বনদস্যু নির্মূল কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মোঃ সালাউদ্দীন লিটনের নেতৃত্বে জেলে-বাওয়ালীদের একটি প্রতিনিধি দল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে স্মারকলিপি জমা দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জি এম মাছুম বিল্লাহ,খাইরুল ইসলাম মিলন, আরাফাত হোসেন,জি এম আব্দুর রহিম, বাবলুর রহমান, বিল্লাল হোসেন প্রমুখ। স্মারকলিপিতে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য ও উপকূলীয় পরিবেশের অমূল্য সম্পদ সুন্দরবন আজ বনদস্যুদের তৎপরতার কারণে হুমকির মুখে। সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল হাজার হাজার জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জীবিকার তাগিদে প্রতিনিয়ত বনে প্রবেশ করেন। কিন্তু বনদস্যুদের অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়, চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকির কারণে তাঁদের জীবন ও জীবিকা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। বিশেষ করে সুন্দরবন সংলগ্ন সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা, বুড়িগোয়ালিনী, মুন্সিগঞ্জ, রমজাননগর, কৈখালীসহ বিভিন্ন এলাকার বনজীবীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। বনদস্যুদের ভয়ে অনেক জেলে নিরাপদে জীবিকা নির্বাহ করতে পারছেন না। সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ বনদস্যুমুক্ত করতে সমন্বিত ও কার্যকর অভিযান পরিচালনা, গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ, নদী ও খালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদার, অপহরণ, মুক্তিপণ, চাঁদাবাজি ও অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার বন্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা, অপহৃত জেলেদের দ্রুত উদ্ধার ও নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া, বনজীবীদের জন্য জরুরি যোগাযোগব্যবস্থা, অভিযোগ গ্রহণ ও দ্রুত উদ্ধার ব্যবস্থা চালু, সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় বনদস্যুদের সহযোগী ও অর্থায়নকারীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ, নিয়মিত যৌথ টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা জোরদার, ক্ষতিগ্রস্ত ও জীবিকা হারানো জেলে-বাওয়ালিদের সহায়তা ও পুনর্বাসন, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বন বিভাগ ও স্থানীয় বনজীবীদের সমন্বয়ে স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনাসহ স্মারকলিপিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১০টি জোরালো দাবি জানানো হয়। এ বিষয়ে সুন্দরবন বনদস্যু নির্মূল কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মোঃ সালাউদ্দীন লিটন বলেন, আমরা ৫ দিনের কর্মসূচি, শ্যামনগর ও হরিনগরে মানববন্ধন শেষে আজ প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিলাম। আমাদের একটাই দাবি, সুন্দরবন হবে বনদস্যুমুক্ত, নিরাপদ হবে জেলে-বাওয়ালীদের জীবন। দাবি না মানা পর্যন্ত আমাদের ৭ দিনের কর্মসূচি ও পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচি চলবে।
25
পরিতোষ কুমার বৈদ্য, শ্যামনগর(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ বনদস্যুমুক্ত করা, বনজীবীদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বনদস্যুদের বিরুদ্ধে কার্যকর ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন সুন্দরবন উপকূলের সর্বস্তরের জনগণ ও বনজীবীরা।
রবিবার (২রা নভেম্বর) বিকালে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। সুন্দরবন বনদস্যু নির্মূল কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মোঃ সালাউদ্দীন লিটনের নেতৃত্বে জেলে-বাওয়ালীদের একটি প্রতিনিধি দল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে স্মারকলিপি জমা দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জি এম মাছুম বিল্লাহ,খাইরুল ইসলাম মিলন, আরাফাত হোসেন,জি এম আব্দুর রহিম, বাবলুর রহমান, বিল্লাল হোসেন প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য ও উপকূলীয় পরিবেশের অমূল্য সম্পদ সুন্দরবন আজ বনদস্যুদের তৎপরতার কারণে হুমকির মুখে। সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল হাজার হাজার জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জীবিকার তাগিদে প্রতিনিয়ত বনে প্রবেশ করেন। কিন্তু বনদস্যুদের অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়, চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকির কারণে তাঁদের জীবন ও জীবিকা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।
বিশেষ করে সুন্দরবন সংলগ্ন সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা, বুড়িগোয়ালিনী, মুন্সিগঞ্জ, রমজাননগর, কৈখালীসহ বিভিন্ন এলাকার বনজীবীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। বনদস্যুদের ভয়ে অনেক জেলে নিরাপদে জীবিকা নির্বাহ করতে পারছেন না।
সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ বনদস্যুমুক্ত করতে সমন্বিত ও কার্যকর অভিযান পরিচালনা, গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ, নদী ও খালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদার, অপহরণ, মুক্তিপণ, চাঁদাবাজি ও অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার বন্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা, অপহৃত জেলেদের দ্রুত উদ্ধার ও নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া, বনজীবীদের জন্য জরুরি যোগাযোগব্যবস্থা, অভিযোগ গ্রহণ ও দ্রুত উদ্ধার ব্যবস্থা চালু, সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় বনদস্যুদের সহযোগী ও অর্থায়নকারীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ, নিয়মিত যৌথ টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা জোরদার, ক্ষতিগ্রস্ত ও জীবিকা হারানো জেলে-বাওয়ালিদের সহায়তা ও পুনর্বাসন, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বন বিভাগ ও স্থানীয় বনজীবীদের সমন্বয়ে স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনাসহ স্মারকলিপিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১০টি জোরালো দাবি জানানো হয়।
এ বিষয়ে সুন্দরবন বনদস্যু নির্মূল কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মোঃ সালাউদ্দীন লিটন বলেন, আমরা ৫ দিনের কর্মসূচি, শ্যামনগর ও হরিনগরে মানববন্ধন শেষে আজ প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিলাম। আমাদের একটাই দাবি, সুন্দরবন হবে বনদস্যুমুক্ত, নিরাপদ হবে জেলে-বাওয়ালীদের জীবন। দাবি না মানা পর্যন্ত আমাদের ৭ দিনের কর্মসূচি ও পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচি চলবে।