ড্রাগ লাইসেন্স ও নিবন্ধিত ফার্মাসিস্ট ছাড়া বিটেক এলাকায় ফরিদের ঔষধের দোকান
Reporter Name
Update Time :
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
৭
Time View
ড্রাগ লাইসেন্স ও নিবন্ধিত ফার্মাসিস্ট ছাড়া বিটেক এলাকায় ফরিদের ঔষধের দোকান
কামরুল০১৮৮৩০৮৮০৮৪ ড্রাগ লাইসেন্স ও নিবন্ধিত ফার্মাসিস্ট ছাড়া কোনোভাবেই ওষুধের দোকান বা ফার্মেসি পরিচালনা করা বৈধ নয়; তবুও যেইটি বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও চট্টগ্রাম সিএমপি বিটেক বাজারে আরব আলী ও ফরিদের ড্রাগ লাইসেন্স এবং বৈধ কাগজ পত্র কিছু না থাকার পরেও কোন কালো হাতের ইশারায় চলছে। এই বিষয়ে আরো জানাযায় অবৈধ দোকানের ঝুঁকি ও আইনগত পরিণতি আইনগত অপরাধ: ঔষধ আইন অনুযায়ী, ড্রাগ লাইসেন্স ও সি-গ্রেড বা রেজিস্টার্ড ফার্মাসিস্ট ছাড়া ওষুধ বিক্রি করলে জরিমানা ও কারাদণ্ড হতে পারে। তবু কেন এই স্বাধীনতা কে দিয়েছে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি: প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ফার্মাসিস্ট ছাড়া ওষুধ বিক্রি করলে ভুল ওষুধ বা ভুল মাত্রার সেবনে মানুষের বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ: বৈধ কাগজপত্রহীন দোকানগুলোতে অনেক সময় নকল, মানহীন বা মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির সম্ভাবনা থাকে। একটি বৈধ ফার্মেসি দিতে যা যা প্রয়োজন বৈধভাবে ওষুধের দোকান চালু করতে হলে নিচের কাগজপত্র ও শর্তগুলো পূরণ করতে হবে: ড্রাগ লাইসেন্স: ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত বৈধ ড্রাগ সেল লাইসেন্স। নিবন্ধিত ফার্মাসিস্ট: দোকানে অন্তত একজন সি-গ্রেড (বা উচ্চতর) রেজিস্টার্ড ফার্মাসিস্ট থাকা বাধ্যতামূলক। • প্রাতিষ্ঠানিক কাগজপত্র: • মালিকের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), ছবি। হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স। টিআইএন (TIN) সার্টিফিকেট ও আয়কর জমা দেওয়ার রসিদ। দোকানের জায়গার ভাড়ার চুক্তিনামা (স্ট্যাম্পে করা) অথবা নিজস্ব জায়গার দলিল ও ফ্লোর প্ল্যান। আপনি কি নতুন ফার্মেসি চালুর নিয়মাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান, নাকি কোনো নির্দিষ্ট এলাকার অবৈধ দোকানের বিষয়ে অভিযোগ করার প্রক্রিয়া জানতে চান?
11
কামরুল০১৮৮৩০৮৮০৮৪
ড্রাগ লাইসেন্স ও নিবন্ধিত ফার্মাসিস্ট ছাড়া কোনোভাবেই ওষুধের দোকান বা ফার্মেসি পরিচালনা করা বৈধ নয়; তবুও যেইটি বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও চট্টগ্রাম সিএমপি বিটেক বাজারে আরব আলী ও ফরিদের
ড্রাগ লাইসেন্স এবং বৈধ
কাগজ পত্র কিছু না থাকার পরেও কোন কালো হাতের ইশারায় চলছে। এই বিষয়ে আরো জানাযায়
অবৈধ দোকানের ঝুঁকি ও আইনগত পরিণতি
আইনগত অপরাধ: ঔষধ আইন অনুযায়ী, ড্রাগ লাইসেন্স ও সি-গ্রেড বা রেজিস্টার্ড ফার্মাসিস্ট ছাড়া ওষুধ বিক্রি করলে জরিমানা ও কারাদণ্ড হতে পারে। তবু কেন এই স্বাধীনতা কে দিয়েছে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়।
জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি: প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ফার্মাসিস্ট ছাড়া ওষুধ বিক্রি করলে ভুল ওষুধ বা ভুল মাত্রার সেবনে মানুষের বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ: বৈধ কাগজপত্রহীন দোকানগুলোতে অনেক সময় নকল, মানহীন বা মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির সম্ভাবনা থাকে।
একটি বৈধ ফার্মেসি দিতে যা যা প্রয়োজন
বৈধভাবে ওষুধের দোকান চালু করতে হলে নিচের কাগজপত্র ও শর্তগুলো পূরণ করতে হবে:
ড্রাগ লাইসেন্স: ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত বৈধ ড্রাগ সেল লাইসেন্স।
নিবন্ধিত ফার্মাসিস্ট: দোকানে অন্তত একজন সি-গ্রেড (বা উচ্চতর) রেজিস্টার্ড ফার্মাসিস্ট থাকা বাধ্যতামূলক।
• প্রাতিষ্ঠানিক কাগজপত্র:
• মালিকের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), ছবি।
হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স।
টিআইএন (TIN) সার্টিফিকেট ও আয়কর জমা দেওয়ার রসিদ।
দোকানের জায়গার ভাড়ার চুক্তিনামা (স্ট্যাম্পে করা) অথবা নিজস্ব জায়গার দলিল ও ফ্লোর প্ল্যান।
আপনি কি নতুন ফার্মেসি চালুর নিয়মাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান, নাকি কোনো নির্দিষ্ট এলাকার অবৈধ দোকানের বিষয়ে অভিযোগ করার প্রক্রিয়া জানতে চান?