মুফতী মাহবুবুল্লাহ কাসেমীকে প্রধান উপদেষ্টা ও হাফেজ মোহাম্মদ আরিফ রব্বানীকে সভাপতি করে ইক্বরা ইসলামী পাঠাগারের ১৮ সদস্যের কমিটি গঠন
এস এ হাসিব ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:
Update Time :
সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬
৭৫
Time View
মুফতী মাহবুবুল্লাহ কাসেমীকে প্রধান উপদেষ্টা ও হাফেজ মোহাম্মদ আরিফ রব্বানীকে সভাপতি করে ইক্বরা ইসলামী পাঠাগারের ১৮ সদস্যের কমিটি গঠন
এস এ হাসিব ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার রাধাকানাই ইউনিয়নের রঘুনাথপুর এলাঙ্গীরপাড় এলাকায় জ্ঞানচর্চা ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশের লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে ‘ইক্বরা ইসলামী পাঠাগার’। এ উপলক্ষে এক বছর মেয়াদি ১৮ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি এবং উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে। কার্যনির্বাহী কমিটিতে হাফেজ মোহাম্মদ আরিফ রব্বানীকে সভাপতি, মাওলানা দেলোয়ার হোসাইনকে সহসভাপতি, মোহাম্মদ আমির হামজাকে সাধারণ সম্পাদক, মাওলানা মানসুর হেলালকে প্রচার সম্পাদক, মোহাম্মদ রিয়াদ হাসানকে সহকারী প্রচার সম্পাদক এবং হাফেজ মোহাম্মদ ছফিউল্লাহ ইবনে আব্দুল মতিনকে পরিচালক নির্বাচিত করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যদের নিয়েও ১৮ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আল্লামা মুফতী মাহবুবুল্লাহ কাসেমী। উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন মাওলানা আতাউল্লাহ ইবনে আব্দুল মতিন ও মুফতী আবু নাঈম। পাঠাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০২৬ সালের জুলাইয়ের শুরুতে ‘ইক্বরা ইসলামী পাঠাগার’ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। এলাকার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, যুবসমাজ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে পাঠাগারটি গড়ে উঠেছে। পাঠাগারে পবিত্র কোরআনের তাফসির, হাদিস, ইসলামের ইতিহাস, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনীসহ ইসলামি বিভিন্ন বিষয়ের গ্রন্থ সংরক্ষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিত নতুন ইসলামি বই সংগ্রহের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। ইক্বরা ইসলামী পাঠাগারের পরিচালক হাফেজ মোহাম্মদ ছফিউল্লাহ ইবনে আব্দুল মতিন বলেন, “ইসলামের জ্ঞানের আলো সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলে নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তুলতে আমরা কাজ করতে চাই। শুধু সদস্যরাই নন, আগ্রহী যে কেউ এই পাঠাগারে এসে বই পড়ে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবেন।” স্থানীয় লেখক ও সাহিত্যপ্রেমীদের ভাষ্য, পাঠাগারভিত্তিক জ্ঞানচর্চা শিক্ষার্থী ও তরুণদের বইমুখী করে তুলতে এবং তাদের চিন্তাশক্তি ও মনন বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি সুস্থ সাংস্কৃতিক ও নৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতেও এমন উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তারা মনে করেন।
95
এস এ হাসিব
ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার রাধাকানাই ইউনিয়নের রঘুনাথপুর এলাঙ্গীরপাড় এলাকায় জ্ঞানচর্চা ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশের লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে ‘ইক্বরা ইসলামী পাঠাগার’। এ উপলক্ষে এক বছর মেয়াদি ১৮ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি এবং উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে।
কার্যনির্বাহী কমিটিতে হাফেজ মোহাম্মদ আরিফ রব্বানীকে সভাপতি, মাওলানা দেলোয়ার হোসাইনকে সহসভাপতি, মোহাম্মদ আমির হামজাকে সাধারণ সম্পাদক, মাওলানা মানসুর হেলালকে প্রচার সম্পাদক, মোহাম্মদ রিয়াদ হাসানকে সহকারী প্রচার সম্পাদক এবং হাফেজ মোহাম্মদ ছফিউল্লাহ ইবনে আব্দুল মতিনকে পরিচালক নির্বাচিত করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যদের নিয়েও ১৮ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।
উপদেষ্টা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আল্লামা মুফতী মাহবুবুল্লাহ কাসেমী। উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন মাওলানা আতাউল্লাহ ইবনে আব্দুল মতিন ও মুফতী আবু নাঈম।
পাঠাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০২৬ সালের জুলাইয়ের শুরুতে ‘ইক্বরা ইসলামী পাঠাগার’ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। এলাকার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, যুবসমাজ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে পাঠাগারটি গড়ে উঠেছে।
পাঠাগারে পবিত্র কোরআনের তাফসির, হাদিস, ইসলামের ইতিহাস, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনীসহ ইসলামি বিভিন্ন বিষয়ের গ্রন্থ সংরক্ষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিত নতুন ইসলামি বই সংগ্রহের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
ইক্বরা ইসলামী পাঠাগারের পরিচালক হাফেজ মোহাম্মদ ছফিউল্লাহ ইবনে আব্দুল মতিন বলেন, “ইসলামের জ্ঞানের আলো সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলে নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তুলতে আমরা কাজ করতে চাই। শুধু সদস্যরাই নন, আগ্রহী যে কেউ এই পাঠাগারে এসে বই পড়ে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবেন।”
স্থানীয় লেখক ও সাহিত্যপ্রেমীদের ভাষ্য, পাঠাগারভিত্তিক জ্ঞানচর্চা শিক্ষার্থী ও তরুণদের বইমুখী করে তুলতে এবং তাদের চিন্তাশক্তি ও মনন বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি সুস্থ সাংস্কৃতিক ও নৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতেও এমন উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তারা মনে করেন।