সিরাজদিখানে রশুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়
Reporter Name
Update Time :
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩০, ২০২৬,
38 Time View
সিরাজদিখানে রশুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়
জেলা প্রতিনিধি সিরাজদিখান মুন্সীগঞ্জ মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার ঐতিহ্যবাহী **রশুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের** প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী এবং বর্তমান অভিভাবকদের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের মূল কেন্দ্রবিন্দুঃ অভিযোগপত্রে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যক্তিগত ফায়দা হাসিলের দীর্ঘ তালিকা তুলে ধরা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য অভিযোগগুলো হলো: ভর্তি ও ফি বাণিজ্যের রামরাজত্ব:শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং ভর্তি প্রক্রিয়ায় অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। পরীক্ষা ও ভ্রমণ ব্যয়ে অনিয়ম:পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণ এবং স্কুলের বিভিন্ন ভ্রমণ বা শিক্ষা সফরের বাজেট থেকে অর্থ আত্মসাতের বিষয়টিও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীদের লাঞ্ছনা:বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের সাথে অপেশাদার এবং অশোভন আচরণ করার পাশাপাশি তুচ্ছ কারণে চাকরিচ্যুত করার হুমকি দিয়ে ভীতি প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগকারীরা জানান। স্বেচ্ছাচারিতা:ম্যানেজিং কমিটির তোয়াক্কা না করে একক সিদ্ধান্তে বিদ্যালয়ের তহবিল তছরুপ এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের নামে ভুয়া ভাউচার তৈরির অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা* শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং বিদ্যালয়ের সুনাম রক্ষায় অভিযোগপত্রটি মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য **শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ**, সিরাজদিখান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর পেশ করা হয়েছে। অভিযোগকারী প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা জানান, *"একটি প্রাচীন বিদ্যাপীঠের প্রধানের এমন কর্মকাণ্ডে আমরা লজ্জিত। আমরা চাই সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ আবারও ফিরে আসে। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য* উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি তদন্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। রশুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকাবাসী এখন প্রশাসনের দ্রুত ও নিরপেক্ষ ভূমিকার অপেক্ষায় রয়েছেন।
30
জেলা প্রতিনিধি
সিরাজদিখান মুন্সীগঞ্জ
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার ঐতিহ্যবাহী **রশুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের** প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী এবং বর্তমান অভিভাবকদের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগের মূল কেন্দ্রবিন্দুঃ
অভিযোগপত্রে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যক্তিগত ফায়দা হাসিলের দীর্ঘ তালিকা তুলে ধরা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য অভিযোগগুলো হলো:
ভর্তি ও ফি বাণিজ্যের রামরাজত্ব:শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং ভর্তি প্রক্রিয়ায় অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।
পরীক্ষা ও ভ্রমণ ব্যয়ে অনিয়ম:পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণ এবং স্কুলের বিভিন্ন ভ্রমণ বা শিক্ষা সফরের বাজেট থেকে অর্থ আত্মসাতের বিষয়টিও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
শিক্ষক-কর্মচারীদের লাঞ্ছনা:বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের সাথে অপেশাদার এবং অশোভন আচরণ করার পাশাপাশি তুচ্ছ কারণে চাকরিচ্যুত করার হুমকি দিয়ে ভীতি প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগকারীরা জানান।
স্বেচ্ছাচারিতা:ম্যানেজিং কমিটির তোয়াক্কা না করে একক সিদ্ধান্তে বিদ্যালয়ের তহবিল তছরুপ এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের নামে ভুয়া ভাউচার তৈরির অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা*
শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং বিদ্যালয়ের সুনাম রক্ষায় অভিযোগপত্রটি মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য **শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ**, সিরাজদিখান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর পেশ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা জানান, *”একটি প্রাচীন বিদ্যাপীঠের প্রধানের এমন কর্মকাণ্ডে আমরা লজ্জিত। আমরা চাই সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ আবারও ফিরে আসে।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য*
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি তদন্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
রশুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকাবাসী এখন প্রশাসনের দ্রুত ও নিরপেক্ষ ভূমিকার অপেক্ষায় রয়েছেন।