প্রতিবেদক আরিফ রহমান সোনাইমুড়ী উপজেলার ৭নং বজরা ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন ত্যাগী নেতা মো.আজাদ হোসেন। ১৯৮৬ সাল থেকে জাতীয়তাবাদী আদর্শকে ধারণ করে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। ছাত্রদলের কর্মী থেকে শুরু করে বজরা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং সোনাইমুড়ী উপজেলা বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। সর্বশেষ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবেও নিজের দক্ষতা ও আনুগত্যের পরিচয় দিয়েছেন। গত ১৭ বছরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে অগণিত মামলার আসামি হয়েছেন আজাদ হোসেন। কারাবরণ করেছেন বারবার। তবে সব বাধা, বাহুবলী ভীতি ও প্রতিকূল পরিস্থিতি উপেক্ষা করে তিনি রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন। এমনকি বর্তমান উপজেলা সভাপতি’র সাথে কারাবাস করেছেন, কিন্তু কখনোই আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি বা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাননি। একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে আজাদ হোসেনের হাত ধরে দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় বহু নেতাকর্মী তৈরি হয়েছে। দুর্দিনে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের পাশে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ায়, বর্তমানে ৭নং বজরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী তাকে আগামী দিনে ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি হিসেবেই দেখতে চায়। দলীয় ঐক্যের স্বার্থে এবং বিগত দিনের কঠোর সংগ্রামের মূল্যায়ন হিসেবে আজাদ হোসেনের প্রার্থিতা এখন সোনাইমুড়ী উপজেলা রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
280
প্রতিবেদক আরিফ রহমান সোনাইমুড়ী উপজেলার ৭নং বজরা ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন ত্যাগী নেতা মো.আজাদ হোসেন। ১৯৮৬ সাল থেকে জাতীয়তাবাদী আদর্শকে ধারণ করে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। ছাত্রদলের কর্মী থেকে শুরু করে বজরা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং সোনাইমুড়ী উপজেলা বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। সর্বশেষ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবেও নিজের দক্ষতা ও আনুগত্যের পরিচয় দিয়েছেন।
গত ১৭ বছরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে অগণিত মামলার আসামি হয়েছেন আজাদ হোসেন। কারাবরণ করেছেন বারবার। তবে সব বাধা, বাহুবলী ভীতি ও প্রতিকূল পরিস্থিতি উপেক্ষা করে তিনি রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন। এমনকি বর্তমান উপজেলা সভাপতি’র সাথে কারাবাস করেছেন, কিন্তু কখনোই আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি বা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাননি। একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে আজাদ হোসেনের হাত ধরে দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় বহু নেতাকর্মী তৈরি হয়েছে। দুর্দিনে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের পাশে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ায়, বর্তমানে ৭নং বজরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী তাকে আগামী দিনে ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি হিসেবেই দেখতে চায়।
দলীয় ঐক্যের স্বার্থে এবং বিগত দিনের কঠোর সংগ্রামের মূল্যায়ন হিসেবে আজাদ হোসেনের প্রার্থিতা এখন সোনাইমুড়ী উপজেলা রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।