শত্রুতা করে দরিদ্র কৃষকের শতাধিক কলাগাছ কেটে তছনছ, ৫ লাখ টাকার ক্ষতি।
Reporter Name
Update Time :
সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
৪৩
Time View
শত্রুতা করে দরিদ্র কৃষকের শতাধিক কলাগাছ কেটে তছনছ, ৫ লাখ টাকার ক্ষতি।
সাধন সাহা জয় স্টাফ রিপোর্টার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে রাতের আঁধারে একটি কলাবাগানের ফলন উপযোগী প্রায় শতাধিক কলাগাছ কেটে তছনছ করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (২৩ আগস্ট ২০২৬) গভীর রাতে উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের শেকেরকান্দি গ্রামে এ বর্বরোচিত ঘটনা ঘটে। এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় ভুক্তভোগী দরিদ্র কৃষক পরিবারের সমস্ত স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গেছে এবং এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী দরিদ্র কৃষক আক্তার মিয়া (পিতা: মান্নান মিয়া) জানান, দেড় লাখ টাকায় দুই কানি (৬৬ শতাংশ) জমি পত্তন নিয়ে তিনি অত্যন্ত যত্নের সাথে সাগর ও চাম্পা কলার বাগান গড়ে তুলেছিলেন। বিভিন্ন জায়গা থেকে ধারদেনা করে গত এক বছরে বাগানের পরিচর্যা ও সার-বাবদ তার ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয় হয়। গাছগুলো যখন বড় হয়ে ফলন দেওয়ার উপক্রম হয়েছিল, ঠিক তখনই রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে একে একে প্রায় শতাধিক গাছ কেটে সাবাড় করে দেয়। এতে তার আনুমানিক ৫ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। ভুক্তভোগীর ধারণা, তাকে আর্থিকভাবে সম্পূর্ণ পঙ্গু করে দিতেই প্রতিপক্ষ বা শত্রুতাবশত পরিকল্পিতভাবে এই জঘন্য কাজ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিন জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
91
সাধন সাহা জয়
স্টাফ রিপোর্টার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে রাতের আঁধারে একটি কলাবাগানের ফলন উপযোগী প্রায় শতাধিক কলাগাছ কেটে তছনছ করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (২৩ আগস্ট ২০২৬) গভীর রাতে উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের শেকেরকান্দি গ্রামে এ বর্বরোচিত ঘটনা ঘটে। এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় ভুক্তভোগী দরিদ্র কৃষক পরিবারের সমস্ত স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গেছে এবং এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী দরিদ্র কৃষক আক্তার মিয়া (পিতা: মান্নান মিয়া) জানান, দেড় লাখ টাকায় দুই কানি (৬৬ শতাংশ) জমি পত্তন নিয়ে তিনি অত্যন্ত যত্নের সাথে সাগর ও চাম্পা কলার বাগান গড়ে তুলেছিলেন।
বিভিন্ন জায়গা থেকে ধারদেনা করে গত এক বছরে বাগানের পরিচর্যা ও সার-বাবদ তার ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয় হয়। গাছগুলো যখন বড় হয়ে ফলন দেওয়ার উপক্রম হয়েছিল, ঠিক তখনই রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে একে একে প্রায় শতাধিক গাছ কেটে সাবাড় করে দেয়। এতে তার আনুমানিক ৫ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
ভুক্তভোগীর ধারণা, তাকে আর্থিকভাবে সম্পূর্ণ পঙ্গু করে দিতেই প্রতিপক্ষ বা শত্রুতাবশত পরিকল্পিতভাবে এই জঘন্য কাজ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিন জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।