নবীনগরে মামার বাড়িতে বেড়াতে এসে কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
Reporter Name
Update Time :
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
২৪
Time View
নবীনগরে মামার বাড়িতে বেড়াতে এসে কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
সাধন সাহা জয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌর এলাকার ভোলাচংয়ে মামার বাড়িতে বেড়াতে এসে সুস্ময় মিত্র (১৩) নামে এক কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (১ নভেম্বর) সকালে ভোলাচং নতুন বাজার সংলগ্ন নবীনগর-কোম্পানীগঞ্জ সড়কের পশ্চিম পাশে একটি পরিত্যক্ত দোকান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সুস্ময় মিত্র জনি মিত্রের ছেলে। সে প্রায় এক সপ্তাহ আগে মামার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল বলে জানিয়েছে পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা যায়, শনিবার রাতে সুস্ময় তার দাদুর সঙ্গে ঘুমিয়েছিল। রবিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দাদু তাকে পাশে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত দোকানে গিয়ে সুস্ময়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মাত্র ১৩ বছর বয়সী কিশোরের এমন মৃত্যুতে স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের পাশাপাশি নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এটি আত্মহত্যা, নাকি মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোর্শেদুল আলম চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিশোরের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।
34
সাধন সাহা জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌর এলাকার ভোলাচংয়ে মামার বাড়িতে বেড়াতে এসে সুস্ময় মিত্র (১৩) নামে এক কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১ নভেম্বর) সকালে ভোলাচং নতুন বাজার সংলগ্ন নবীনগর-কোম্পানীগঞ্জ সড়কের পশ্চিম পাশে একটি পরিত্যক্ত দোকান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সুস্ময় মিত্র জনি মিত্রের ছেলে। সে প্রায় এক সপ্তাহ আগে মামার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল বলে জানিয়েছে পরিবারের সদস্যরা।
পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা যায়, শনিবার রাতে সুস্ময় তার দাদুর সঙ্গে ঘুমিয়েছিল। রবিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দাদু তাকে পাশে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত দোকানে গিয়ে সুস্ময়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মাত্র ১৩ বছর বয়সী কিশোরের এমন মৃত্যুতে স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের পাশাপাশি নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
তবে এটি আত্মহত্যা, নাকি মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোর্শেদুল আলম চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কিশোরের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।