নওগাঁয় ছিনতাই কৃত ৯ লাখ ১৩ হাজার টাকা সহ গ্রেফতার -৩
Reporter Name
Update Time :
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬
৩
Time View
নওগাঁয় ছিনতাই কৃত ৯ লাখ ১৩ হাজার টাকা সহ গ্রেফতার -৩
" কাজী স্বাধীন " স্টাফ রিপোটার : নওগাঁর মহাদেবপুরে পিকআপ থামিয়ে ৯ লাখ ১৩ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় রাতভর অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও মহাদেবপুর থানা পুলিশ। এ সময় ছিনতাই হওয়া ৯ লাখ ৩ হাজার টাকা এবং ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত একটি নিবন্ধনবিহীন মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এ অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ নভেম্বর সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ২০ মিনিটে মহাদেবপুর উপজেলার উত্তরগ্রাম চৌদ্দ মাইল ব্রিজের পশ্চিম পাশে ফাঁকা রাস্তায় এ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। মেসার্স সোহাগ আয়রন স্টোরের মালিক আব্দুল আলিমের প্রতিষ্ঠানের মালামাল বিক্রির জন্য চালক সোহেল রানা (২৫) ও ম্যানেজার মজনু মিয়া (৩৫) পিকআপ নিয়ে বগুড়ায় যান। সেখানে মালামাল বিক্রি করে নগদ ৯ লাখ ১৩ হাজার টাকা নিয়ে মহাদেবপুরে ফিরছিলেন তারা। ফেরার পথে নির্ধারিত স্থানে পিকআপটি বিকল হয়ে গেলে মোটরসাইকেলে আসা অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা চালক সোহেলকে হালকা মারধর এবং ম্যানেজার মজনুকে ব্যাপক মারধর করে টাকাগুলো ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানতে পেরে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) জয় ও জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক হাসিবের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল তথ্যপ্রযুক্তি, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও ডাটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে। এরপর ডিবি ও মহাদেবপুর থানা পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে প্রথমে মহাদেবপুর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে মুন্নাকে (২৪) তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার বাড়ি থেকে ছিনতাই হওয়া ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। মুন্নার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মহাদেবপুর উপজেলার ঈশ্বর লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত ইয়াদ আলীর ছেলে রবিনকে (২৫) তার ভাড়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বাড়ি থেকে ছিনতাই হওয়া আরও ৩ লাখ ৯৩ হাজার টাকা এবং ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত নিবন্ধনবিহীন একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। পরবর্তী সময়ে গ্রেপ্তার দুই আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভুক্তভোগী চালক সোহেল রানাকে (২৫) নওগাঁ সদর হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ছিনতাইয়ের ঘটনার পরিকল্পনাকারী ছিলেন চালক সোহেল রানা ও মুন্না। আর ছিনতাইয়ের ঘটনায় প্রধান ভূমিকা পালন করেন রবিন। তারা তিনজন মিলে গত এক সপ্তাহ ধরে এ ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করছিলেন। এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, নওগাঁ জেলা পুলিশ সড়কে যেকোনো ধরনের অপরাধ, বিশেষ করে ছিনতাই ও ডাকাতি আইন অনুযায়ী কঠোর হস্তে দমন করবে করছে ও করবে এই ব্যপারে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
7
” কাজী স্বাধীন ”
স্টাফ রিপোটার :
নওগাঁর মহাদেবপুরে পিকআপ থামিয়ে ৯ লাখ ১৩ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় রাতভর অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও মহাদেবপুর থানা পুলিশ। এ সময় ছিনতাই হওয়া ৯ লাখ ৩ হাজার টাকা এবং ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত একটি নিবন্ধনবিহীন মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ নভেম্বর সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ২০ মিনিটে মহাদেবপুর উপজেলার উত্তরগ্রাম চৌদ্দ মাইল ব্রিজের পশ্চিম পাশে ফাঁকা রাস্তায় এ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। মেসার্স সোহাগ আয়রন স্টোরের মালিক আব্দুল আলিমের প্রতিষ্ঠানের মালামাল বিক্রির জন্য চালক সোহেল রানা (২৫) ও ম্যানেজার মজনু মিয়া (৩৫) পিকআপ নিয়ে বগুড়ায় যান। সেখানে মালামাল বিক্রি করে নগদ ৯ লাখ ১৩ হাজার টাকা নিয়ে মহাদেবপুরে ফিরছিলেন তারা।
ফেরার পথে নির্ধারিত স্থানে পিকআপটি বিকল হয়ে গেলে মোটরসাইকেলে আসা অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা চালক সোহেলকে হালকা মারধর এবং ম্যানেজার মজনুকে ব্যাপক মারধর করে টাকাগুলো ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানতে পেরে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) জয় ও জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক হাসিবের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল তথ্যপ্রযুক্তি, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও ডাটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে। এরপর ডিবি ও মহাদেবপুর থানা পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে প্রথমে মহাদেবপুর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে মুন্নাকে (২৪) তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার বাড়ি থেকে ছিনতাই হওয়া ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
মুন্নার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মহাদেবপুর উপজেলার ঈশ্বর লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত ইয়াদ আলীর ছেলে রবিনকে (২৫) তার ভাড়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বাড়ি থেকে ছিনতাই হওয়া আরও ৩ লাখ ৯৩ হাজার টাকা এবং ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত নিবন্ধনবিহীন একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তী সময়ে গ্রেপ্তার দুই আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভুক্তভোগী চালক সোহেল রানাকে (২৫) নওগাঁ সদর হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ছিনতাইয়ের ঘটনার পরিকল্পনাকারী ছিলেন চালক সোহেল রানা ও মুন্না। আর ছিনতাইয়ের ঘটনায় প্রধান ভূমিকা পালন করেন রবিন। তারা তিনজন মিলে গত এক সপ্তাহ ধরে এ ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করছিলেন।
এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, নওগাঁ জেলা পুলিশ সড়কে যেকোনো ধরনের অপরাধ, বিশেষ করে ছিনতাই ও ডাকাতি আইন অনুযায়ী কঠোর হস্তে দমন করবে করছে ও করবে এই ব্যপারে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।