1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা : দৈনিক বাংলাদেশ পত্রিকা
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
মুন্সীগঞ্জে ‘অ্যাওয়ার্ড অব এক্সিলেন্স-২০২৬’ পেল ইউনুছ খান মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজঃ প্রবাসীদের কল্যাণ ও সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ দূতাবাসের পাশে থাকবে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাব তাহিরপুরে কয়লা আমদানি কারক গ্রুপের নির্বাচনে প্রচার সম্পাদক পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করছেন মোক্তার আবেদীন রাজু। পটিয়ায় বিএনপির বিপ্লব ও জাতীয় সংহতি দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা। জামালগঞ্জে কারিতাসের উদ্যোগে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির বিনামূল্যে টিকাদান কর্মসূচি পালিত। ঝালকাঠির রাজাপুরে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইউএনও রিফাত আরা মৌরি* নতুন ঘর পেয়ে আবেগে কাঁদলেন জনম দুঃখী হতদরিদ্র জবেতন বিবি* কিশোরগঞ্জে জামাত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের ছেলেকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত তাহিরপুর উপজেলা কয়লা আমদানি কারক গ্রুপের নির্বাচনে সিনিয়র সহ- সভাপতি পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করছেন আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ। নবীনগরে অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নওগাঁর সাপাহারে ১৬ বিজিবি’র আওতায় নতুন আদাতলা বিওপি ক্যাম্পের উদ্বোধন।

৪১৭ প্রকল্পে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন, কাটল ঝালকাঠি জেলা পরিষদের উন্নয়ন-জট

ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
  • Update Time : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৮ Time View
81

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠি জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এডিপির সাধারণ বরাদ্দের আওতায় ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রস্তাবিত ৪১৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ কোটি ৫০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব তাহমিনা আক্তার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে প্রকল্পগুলোর প্রশাসনিক অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত শর্ত ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে।

এর আগে জেলা পরিষদ থেকে ৪১৭টি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পর প্রকল্প অনুমোদন ও ছাড় নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়। এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন কথাও ছড়িয়ে পড়ে যে, ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল এবং ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টের পক্ষ থেকে জেলা পরিষদের প্রকল্প অনুমোদনে হস্তক্ষেপ করে প্রকল্প আটকে দেয়া হয়েছে। দুই এমপির সাথে জেলা পরিষদের সমন্বয়ের বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠি এমপিদের ব্যক্তি অনুসারীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের প্রচার-প্রচারণা চলায়। তাতে করে বিএনপি’র ত্যাগী নেতাকর্মী এবং জনসাধারণের মধ্যে ক্ষোভ এবং হতাশা দেখা দেয়।

তবে মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ চিঠিতে ৪১৭টি প্রকল্পের প্রশাসনিক অনুমোদনের বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ায় এতদিনের আলোচনা ও গুঞ্জনে নতুন মাত্রা তৈরি হয়েছে। যদিও প্রকল্প অনুমোদনে বিলম্বের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সরাসরি সম্পর্ক ছিল—এমন কোনো তথ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ নেই।

ঝালকাঠি জেলা বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের কয়েকজন জানান, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক কারণে জেলার অনেক এলাকার মানুষ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিলেন। তাদের দাবি, বিভিন্ন এলাকার প্রয়োজনীয় ছোট ছোট উন্নয়ন প্রকল্পের আবেদন জেলা পরিষদে জমা দেওয়ার পর সেগুলো যাচাই-বাছাই করে তালিকাভুক্ত করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রকল্পগুলো অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

তাদের বক্তব্য, যদি কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি বা পক্ষ উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে অযাচিত হস্তক্ষেপ করে থাকে, তা হবে অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত। কারণ এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে জেলার সাধারণ মানুষ এবং দীর্ঘদিন উন্নয়নবঞ্চিত এলাকাগুলোর প্রত্যাশা জড়িত।

এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক বলেন, “ঝালকাঠি জেলার সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব বিবেচনা করে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ৪১৭টি উন্নয়ন প্রকল্প পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পগুলোর বিষয় মন্ত্রণালয় থেকে যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই প্রকল্প বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু করা হবে।”

প্রকল্প ছাড় পেতে বিলম্বের ক্ষেত্রে দুই সংসদ সদস্যের কোনো হস্তক্ষেপ ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি কোনো হস্তক্ষেপ দেখিনি। তবে যদি এ ধরনের কোনো বিষয় থেকে থাকে, সেটি অবশ্যই দুঃখজনক। জেলার উন্নয়নে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে জনগণ তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করবে।”

তিনি আরও বলেন, জেলা পরিষদ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এলাকার প্রয়োজনীয়তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবে।

মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের ফলে এখন ৪১৭টি প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ খুলে গেল। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট ছোট-বড় উন্নয়নকাজ দ্রুত শুরু হবে—এমন প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026