রাঙ্গুনিয়ায় এমপির নির্দেশ অবৈধ বালি ও মাটি উত্তোলন বন্ধ করতে উপজেলা প্রশাসন নীরব
Reporter Name
Update Time :
শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২৬,
28 Time View
রাঙ্গুনিয়ায় এমপির নির্দেশ অবৈধ বালি ও মাটি উত্তোলন বন্ধ করতে উপজেলা প্রশাসন নীরব
কামরুল ০১৮৮৩০৮৮০৮৪ চট্টগ্রাম উত্তর জেলার রাংগুনিয়া আসনের হুমাম কাদের চৌধুরী এম, পি সাহেব ফসলি জমি ও পাহাড় কেটে বালি ও মাটি উৎলন না করার জন্য কঠিন দিক নির্দেশনা দেওয়ার পর ও এক মুহুর্তের জন্য ও থেমে নেই মাটি ও বালি উত্তোলন এবং পাচার। এই বিষয়ে সচেতন মহল বলেন এই জন্য রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রশাসন কে দায়ী করতে হবে। হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি এই অবৈধ কর্মকান্ড বন্ধ করতে জিরু টলারেন্স ঘোষণা করেছেন কিন্তু অতিব দুঃখের বিষয় এলাকাবাসী এই সম্পর্কে বলেছেন তিনি সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে এবং বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে ঢাকায় থাকেন উনি এলাকায় আসলে মাটি ও বালু খেকোরা অবৈধ বালি ও মাটি উত্তোলন বন্ধ করে কিন্তু এমপি সাহেব ঢাকা চলে গেলে সাথে সাথে আবার ও মাটি ও বালি উত্তোলন শুরু হয় এমপি সাহেবের একার পক্ষে এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব নয়। আসলে এই সমস্ত অবৈধ বালি ও মাটি উত্তোলন বন্ধ করা উপজেলা প্রশাসনের দ্বায়িত্ব অথচ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রশাসন নীরব তাদের এই নিরবতার কারণে বালি ও মাটি উত্তোলন বন্ধ করতে হুমাম কাদের চৌধুরী এমপির কঠোর নির্দেশ থাকার পরও বালি ও মাটি খেকোরা নির্দেশ অমান্য করে, আইনকে তোয়াক্কা নাকরে অহরহ বালি ও ফসলি জমির মাটি ও পাহাড় কেটে মাটি ও বালি পাচার হচ্ছে। সচেতন মহল বলেন কি করে মাটি ও বালি খেকোরা তাদের এই কার্যক্রম রাতদিন চলমান রেখেছেন এই সমস্ত মাটি ও বালি খেকোদের খুটির জোর কোথায় আইন কে তোয়াক্কা না করে কেমন করে জমজমাট ভাবে এই মাটি ও বালি পাচার হচ্ছে বালি পাচারে জড়িত এরা কারা এইআইন অমান্য কারী চির তরে বন্ধ করার দাবী করছেন, সচেতন নাগরিক মহল ও রাংগুনিয়ার সর্বস্তরের জন সাধারণ।
5
কামরুল
০১৮৮৩০৮৮০৮৪
চট্টগ্রাম উত্তর জেলার রাংগুনিয়া আসনের হুমাম কাদের চৌধুরী এম, পি সাহেব ফসলি জমি ও পাহাড় কেটে বালি ও মাটি উৎলন না করার জন্য কঠিন দিক নির্দেশনা দেওয়ার
পর ও এক মুহুর্তের জন্য ও থেমে নেই মাটি ও বালি উত্তোলন এবং পাচার। এই বিষয়ে সচেতন মহল বলেন এই জন্য রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রশাসন কে দায়ী করতে হবে। হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি এই অবৈধ কর্মকান্ড বন্ধ করতে জিরু টলারেন্স ঘোষণা করেছেন কিন্তু অতিব দুঃখের বিষয় এলাকাবাসী এই সম্পর্কে বলেছেন তিনি সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে এবং বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে ঢাকায় থাকেন উনি এলাকায় আসলে মাটি ও বালু খেকোরা অবৈধ বালি ও মাটি উত্তোলন বন্ধ করে কিন্তু এমপি সাহেব ঢাকা চলে গেলে সাথে সাথে আবার ও মাটি ও বালি উত্তোলন শুরু হয় এমপি সাহেবের একার পক্ষে এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব নয়। আসলে এই সমস্ত অবৈধ বালি ও মাটি উত্তোলন বন্ধ করা উপজেলা প্রশাসনের দ্বায়িত্ব অথচ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রশাসন নীরব তাদের এই নিরবতার কারণে বালি ও মাটি উত্তোলন বন্ধ করতে হুমাম কাদের চৌধুরী এমপির কঠোর নির্দেশ থাকার পরও বালি ও মাটি খেকোরা নির্দেশ অমান্য করে, আইনকে তোয়াক্কা নাকরে অহরহ বালি ও ফসলি জমির মাটি ও পাহাড় কেটে মাটি ও বালি পাচার হচ্ছে। সচেতন মহল বলেন কি করে মাটি ও বালি খেকোরা তাদের এই কার্যক্রম রাতদিন চলমান রেখেছেন এই সমস্ত মাটি ও বালি খেকোদের খুটির জোর কোথায় আইন কে তোয়াক্কা না করে কেমন করে জমজমাট ভাবে এই মাটি ও বালি পাচার হচ্ছে বালি পাচারে জড়িত এরা কারা এইআইন অমান্য কারী চির তরে বন্ধ করার দাবী করছেন, সচেতন নাগরিক মহল ও রাংগুনিয়ার সর্বস্তরের জন সাধারণ।