1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা : দৈনিক বাংলাদেশ পত্রিকা
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
মুন্সীগঞ্জে ‘অ্যাওয়ার্ড অব এক্সিলেন্স-২০২৬’ পেল ইউনুছ খান মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজঃ প্রবাসীদের কল্যাণ ও সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ দূতাবাসের পাশে থাকবে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাব তাহিরপুরে কয়লা আমদানি কারক গ্রুপের নির্বাচনে প্রচার সম্পাদক পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করছেন মোক্তার আবেদীন রাজু। পটিয়ায় বিএনপির বিপ্লব ও জাতীয় সংহতি দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা। জামালগঞ্জে কারিতাসের উদ্যোগে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির বিনামূল্যে টিকাদান কর্মসূচি পালিত। ঝালকাঠির রাজাপুরে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইউএনও রিফাত আরা মৌরি* নতুন ঘর পেয়ে আবেগে কাঁদলেন জনম দুঃখী হতদরিদ্র জবেতন বিবি* কিশোরগঞ্জে জামাত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের ছেলেকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত তাহিরপুর উপজেলা কয়লা আমদানি কারক গ্রুপের নির্বাচনে সিনিয়র সহ- সভাপতি পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করছেন আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ। নবীনগরে অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নওগাঁর সাপাহারে ১৬ বিজিবি’র আওতায় নতুন আদাতলা বিওপি ক্যাম্পের উদ্বোধন।

রাজুর হত্যাকারীদের আটক করেছে পুলিশ

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬
  • ৫২ Time View
102

কামরুল ০১৮৮৩০৮৮০৮৪
রাউজানের কদলপুরের মধু নাসিরকে হত্যার প্রতিশোধ নিতেই নগরের বায়েজিদ থানার রৌফাবাদে খুন করা হয় মো. হাসান রাজুকে। রাজুর বাড়িও কদলপুর। দুই সপ্তাহ ধরে রাজুকে হত্যার পরিকল্পনা হয়। সর্বশেষ গত ৭ মে রৌফাবাদে তার বুকে সরাসরি গুলি করেন সৈয়দুল করিম (২৭) নামে এক যুবক। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন ১২ বছরের শিশু রেশমি আক্তারও। সে বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে আছে। ঘটনার তিন দিন আগে রাজু তার বোনের বাসায় আসেন। তিন দিন ধরেই তাকে অনুসরণ করেন হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা। পুলিশ গত সোমবার কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে সৈয়দুল করিমকে গ্রেপ্তার করে। এরপর এ ঘটনায় জড়িত আরো ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে। মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তারের পর উন্মোচিত হয় রাজু হত্যার আসল রহস্য। গতকাল মঙ্গলবার নগর পুলিশের উপ–কমিশনার (উত্তর) আমীরুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
পুলিশ জানায়, করিমের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তার বসতঘর থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করে। ঘটনার (রাজু হত্যা) সময় পরিহিত টি–শার্ট ও ট্রাউজারও জব্দ করা হয়। এছাড়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিদের বহনকারী একটি সিএনজি টেক্সিও (চট্ট মেট্রো–থ–১৩–১২৫৭) উদ্ধার করা হয়।
ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিরা হচ্ছেন সিএনজি ড্রাইভার মো. আব্দুল মান্নান (৩৭), মো. ইউনুচ মিয়া (২৪), মো. আয়াতুল্লাহ আলী আদনান (২১), মো. আবু বক্কর ছিদ্দিক প্রকাশ খোকন (৪৮) ও আজগর আলী (৩৯)। ধৃতদের মধ্যে করিমের বাড়ি কক্সবাজারের মহেশখালী, থাকেন রৌফাবাদ ৪ নং গলির মানিক মিয়ার বাড়িতে।মান্নানের বাড়ি হাতিয়া, থাকেন নগরের দেওয়ানহাটে। ইউনুচের বাড়ি কক্সবাজার, থাকেন রৌফাবাদ পাহাড়িকা আবাসিকে। আদনানের বাড়ি চন্দনাইশ, থাকেন পাহাড়িকা আবাসিকে। খোকন ও আজগরের বাড়ি রাউজানের কদলপুরে।
জানা গেছে, ৭ মে রাত আনুমানিক পৌনে ১০টার দিকে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার শহীদ মিনার গলির বিহারি কলোনিতে একদল অস্ত্রধারীর গুলিতে নিহত হন মো. হাসান রাজু (২৪)। এ ঘটনায় রাজুর মা সকিনা বেগম (৬৩) বাদী হয়ে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় এজাহার দায়ের করেন।
পুলিশ জানায়, আবদুল মান্নানের সিএনজিতে চড়ে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া চার সদস্য ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় কলোনির অদূরে ব্যাকআপ টিম হিসেবে ছিলেন আরো চারজন। এর মধ্যে একটি ইজিবাইকে বসেছিলেন ইউনুচ এবং আশেপাশে ছিলেন আদনান, খোকন ও আজগর। ব্যাকআপ টিমের সমন্বয় করছিলেন আজগর।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২৬ এপ্রিল রাউজানের কদলপুর ঈশানভট্টেরহাট এলাকায় অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা খুন করে যুবদলের কর্মী মুহাম্মদ নাসির উদ্দিন তালুকদার প্রকাশ মধু নাসিরকে। মদের ব্যবসা ছিল নাসিরের। কদলপুরে তার আস্তানায় এসে নিয়মিত মদ পান করতেন আরেক সন্ত্রাসী রায়হান। এদিকে রাজু ছিলেন রায়হানের প্রতিপক্ষ আলম গ্রুপের সন্ত্রাসী। পুলিশের ধারণা, রায়হানের অবস্থান জানতে পেরে আলম গ্রুপ মধু নাসিরের আস্তানায় হামলা করে। সেদিন রাজুর গুলিতে মারা যায় নাসির। যার প্রতিশোধ নিতে হত্যা করা হয় রাজুকে।
সিএমপির উপ–কমিশনার (উত্তর) আমীরুল ইসলাম বলেন, রাউজানের কদলপুরে দুই সপ্তাহ আগে মধু নাসির নামে একটা ছেলে খুন হন। সে ছিল আলম গ্রুপের। ওই হত্যাকাণ্ডের রেফারেন্স হিসেবে পারস্পরিক যে কোন্দল, তার কারণে রাজু মার্ডার হন। এ হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত। অন্তত দুই সপ্তাহ ধরে পরিকল্পনা হয়ে আসছিল। তিনি বলেন, গোপন সংবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত সোমবার কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে সৈয়দুল করিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাজুর বুকে গুলি করার কথা স্বীকার করে।
পুলিশ জানায়, করিমের দেওয়া তথ্যমতে রৌফাবাদ ব্রিজ এলাকায় ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে সহায়তাকারী মো. ইউনুচ মিয়া ও মো. আয়াতুল্লাহ আলী আদনানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ডবলমুরিং থানা এলাকা থেকে সিএনজি ড্রাইভার মো. আব্দুল মান্নানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মান্নানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকা থেকে ঘটনায় জড়িত সন্দিগ্ধ আবু বক্কর ছিদ্দিক ও আজগর আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ধৃতদের মধ্যে সৈয়দুল করিমের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ডাকাতির ২টি মামলা, আবু বক্কর ছিদ্দিকের বিরুদ্ধে চুরি, হত্যাচেষ্টা, মারামারিসহ ৬টি মামলা ও আজগর আলীর বিরুদ্ধে একটি চুরির মামলা রয়েছে।
বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে সৈয়দুল করিমকে শনাক্ত করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর প্রথম দুই দিন সে বায়েজিদ এলাকায় ছিল। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করলে সে পালিয়ে কক্সবাজার চলে যায়। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026