শাল্লায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: নিহত ১,আহত
Reporter Name
Update Time :
বুধবার, মে ২৭, ২০২৬,
12 Time View
শাল্লায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: নিহত ১,আহত
গৌরাঙ্গ বিশ্বাস বিশেষ প্রতিনিধি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৪নং শাল্লা ইউনিয়নের ইছাকপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে পায়েল মিয়া নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নারীসহ আরও দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ মে) দুপুরে ইছাকপুর গ্রামে সাইদুর রহমান গ্রুপ ও শফিউল মেম্বার গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বছরও একই বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। সেই ঘটনার জেরে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। নিহত পায়েল মিয়া ইছাকপুর গ্রামের আনোয়ার মিয়ার ছেলে। সংঘর্ষে আহত হন একই গ্রামের সালেক মিয়ার স্ত্রী তাহেরা বেগম (৩২) ও এরশাদুল্লাহর ছেলে আলকাস মিয়া (৫০)। আহতদের প্রথমে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের অবস্থার অবনতি দেখে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। এ বিষয়ে সাইদুর রহমান বলেন, “আমরা পরিস্থিতি বুঝে ওঠার আগেই প্রতিপক্ষ আমাদের ওপর হামলা চালায়। তারা পায়েলকে হত্যা করেছে এবং তাহেরা ও আলকাসকে গুরুতর আহত করেছে। তাহেরার অবস্থা আশঙ্কাজনক।” অন্যদিকে আওয়াল নুর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “কোনো মারামারি হয়নি। তারা নিজেরাই ঘটনা ঘটিয়ে আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।” শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। নিহত পায়েল মিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে একজনকে সিলেটে পাঠানো হয়েছে।
39
গৌরাঙ্গ বিশ্বাস বিশেষ প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৪নং শাল্লা ইউনিয়নের ইছাকপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে পায়েল মিয়া নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নারীসহ আরও দুইজন
গুরুতর আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৭ মে) দুপুরে ইছাকপুর গ্রামে সাইদুর রহমান গ্রুপ ও শফিউল মেম্বার গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বছরও একই বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। সেই ঘটনার জেরে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
নিহত পায়েল মিয়া ইছাকপুর গ্রামের আনোয়ার মিয়ার ছেলে। সংঘর্ষে আহত হন একই গ্রামের সালেক মিয়ার স্ত্রী তাহেরা বেগম (৩২) ও এরশাদুল্লাহর ছেলে আলকাস মিয়া (৫০)।
আহতদের প্রথমে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের অবস্থার অবনতি দেখে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
এ বিষয়ে সাইদুর রহমান বলেন, “আমরা পরিস্থিতি বুঝে ওঠার আগেই প্রতিপক্ষ আমাদের ওপর হামলা চালায়। তারা পায়েলকে হত্যা করেছে এবং তাহেরা ও আলকাসকে গুরুতর আহত করেছে।
তাহেরার অবস্থা আশঙ্কাজনক।”
অন্যদিকে আওয়াল নুর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “কোনো মারামারি হয়নি। তারা নিজেরাই ঘটনা ঘটিয়ে
আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।”
শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। নিহত পায়েল মিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে একজনকে সিলেটে পাঠানো হয়েছে।