
। সাংবাদিক মোশাররফ হোসেন জসিম পাঠানঃ কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার দিগদাই ইউনিয়নের সিংধা গ্রামের মোঃ দিন ইসলাম ওরফে দীনুর ছেলে মোঃ রফিক ৩৫ কে আসামী করে কিশোরগঞ্জ কোর্টে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দ্বায়েল করেন মোছাঃ রতন্না আক্তার । সূত্রে জানা যায় গত প্রায় ১৫ বছর হয় ইসলামী শরীয়ত মতে বিবাহ করে।একই গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলাম তার দুই টি সন্তান হয়। সে সংসার এর জিবীকা নিরবাহ তাগিদে দেশের বাহিরে চলে যায়। এই দূর্বলতা সুযোগে তন্না আক্তার কে প্রায় সময় কু প্রস্তাব দিয়ে আসত স্বামীর ভাই মোঃ রফিক মিয়া। উক্ত প্রস্তাবে তন্না আক্তার রাজি না হওয়ায় নারী লোভী মোঃ রফিক মিয়া তার পরিবারবর্গ লোকজন নিয়ে কোশলে বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার নির্যাতন শুরু করে। গত ১৬/৬/২৬ ইং তারিখ রোজ মঙ্গলবার প্রায় ৬ টার দিকে মারধর পা ভেঙে দেয়। এ সময় তন্না আক্তার গুরুত আহত।আহত মহিলার চিৎকারে আশেপাশে লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে হামলাকারীদের কবল হতে উদ্ধার করে। উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।সেখানকার কর্মরত ডাঃ উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। এই নিয়ে পুরো গ্রাম জুড়ে কানা ঘুষোর ঝড় উঠে,এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আহত মহিলা তন্না আক্তার বাদী হয়ে গত ২২/৬/২৬ ইং তারিখে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের কিশোরগঞ্জ,মামলা দায়ের করেন প্রতিপক্ষ মোঃ রফিক মিয়ার নামে। যাহার নারী ও শিশু পিটিশন মোঃ নং ৬৭/২৬ উক্ত বিষয়টি বিজ্ঞ বিচারক পিটিশন আমলে নিয়ে তাড়াইল থানা কে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেন। এর পর থেকে মামলার আসামি পরিবার বর্গ কিপ্ত হয়ে বাদী পরিবার বর্গ লোকজন কে বেকাদার পালানোর জন্য ব্যাপক চেষ্টা চালাচ্ছে এবং মামলার বাদী কে প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে। বর্তমানে বাদী পরিবারটি চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে। এ নিয়ে পুরো গ্রাম জুড়ে আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে গ্রাম ও এলাকাবাসী কাছে জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন পূর্বের মামলা জের ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক শত্রুতার সৃষ্টি হয়।এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর সুদৃষ্টি কামনা করছে ভুক্তভোগী তন্না আক্তার পরিবারবর্গ লোকজন ও গ্রামবাসী। মোঃ বাচ্ছু মেম্বার, মোঃ হেলাল মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, মোঃ কাঞ্চন মিয়া, আব্দুল ছাত্তার, মোঃ তরুণ মিয়া, মোঃ মনির হোসেন, মোঃ হাবুল মিয়া, মোঃ রফিকুল ইসলাম মানিক, মোঃ জিন্নাত আলী সহ মোছাঃ কল্পনা আক্তার,আসমা আক্তার, হালিমা খাতুন, ফাতেমা খাতুন, মোছাঃ কুলসুম আক্তার সহ আরও অনেকেই প্রমুখ। প্রকাশ থাকে যে উল্লেখিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশঙ্কা… চলবে।