কারো বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা যায় না,সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা
সাধন সাহা জয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
Update Time :
বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬
৪৫
Time View
কারো বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা যায় না,সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা
! সাধন সাহা জয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি কারো বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। পাশাপাশি এভাবে বক্তব্য প্রচার বন্ধের পদ্ধতির যৌক্তিকতা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সরাইল উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘গণমাধ্যম কেবল ২৬টি চ্যানেল নয়। আজকাল প্রত্যেকের হাতেই গণমাধ্যম আছে। যারা শুনতে চায়, তারা শুনতে পারবে। এভাবে কারো বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা যায় না। আমরা শেখ হাসিনার আমলে দেখেছি তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। কোর্টের আদেশ দিয়ে নিষিদ্ধ ছিল। সেটা যদি গণতন্ত্র না হয়, তাহলে এটাই বা কী করে গণতন্ত্র হয়?’ তিনি আরও বলেন, ‘উনি (শেখ হাসিনা) বাংলাদেশের নাগরিক। উনার পরিবার এবং উনার বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অবদান আছে। উনার পরিবারকে হত্যা করা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সংগ্রামে তখন আওয়ামী লীগ ছিল একমাত্র দল। সব কিছু বিবেচনায় উনার বয়সও হয়েছে, বাংলাদেশে যদি ফিরে না আসেন, উনার দলের অবস্থা কী দাঁড়াবে বা উনার এত দিনের যে রাজনৈতিক ইতিহাস—সেটারই বা কী হবে। সব কিছু বিবেচনায় আমার কমনসেন্স বলে উনি ফিরে আসবেন।’ ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যকার সংঘর্ষের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এটা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে নাজুক পরিস্থিতি—সেটাই ইঙ্গিত করে। দলগুলোর যে তাদের ছাত্রসংগঠনের ওপর কোনো রকম নিয়ন্ত্রণ নেই এবং দিনশেষে আবারও যে আমরা পুরনো রাজনীতিতেই ফিরে যাচ্ছি, সেটিই ইঙ্গিত করে।’ সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনের আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সরাইল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির এনাম খাঁ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া প্রমুখ। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এদিকে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে প্রধান অতিথি করায় স্থানীয় বিএনপির একটি অংশ উপজেলা প্রশাসনের উক্ত অনুষ্ঠান বয়কট করে বলে জানা যায়। সরাইলের পর তিনি আশুগঞ্জের অনুষ্ঠানেও যোগ দিয়ে জুলাই আন্দোলনসহ সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
74
!
সাধন সাহা জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
কারো বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। পাশাপাশি এভাবে বক্তব্য প্রচার বন্ধের পদ্ধতির যৌক্তিকতা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সরাইল উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘গণমাধ্যম কেবল ২৬টি চ্যানেল নয়।
আজকাল প্রত্যেকের হাতেই গণমাধ্যম আছে। যারা শুনতে চায়, তারা শুনতে পারবে। এভাবে কারো বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা যায় না। আমরা শেখ হাসিনার আমলে দেখেছি তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। কোর্টের আদেশ দিয়ে নিষিদ্ধ ছিল। সেটা যদি গণতন্ত্র না হয়, তাহলে এটাই বা কী করে গণতন্ত্র হয়?’
তিনি আরও বলেন, ‘উনি (শেখ হাসিনা) বাংলাদেশের নাগরিক। উনার পরিবার এবং উনার বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অবদান আছে। উনার পরিবারকে হত্যা করা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সংগ্রামে তখন আওয়ামী লীগ ছিল একমাত্র দল। সব কিছু বিবেচনায় উনার বয়সও হয়েছে, বাংলাদেশে যদি ফিরে না আসেন, উনার দলের অবস্থা কী দাঁড়াবে বা উনার এত দিনের যে রাজনৈতিক ইতিহাস—সেটারই বা কী হবে। সব কিছু বিবেচনায় আমার কমনসেন্স বলে উনি ফিরে আসবেন।’
ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যকার সংঘর্ষের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এটা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে নাজুক পরিস্থিতি—সেটাই ইঙ্গিত করে। দলগুলোর যে তাদের ছাত্রসংগঠনের ওপর কোনো রকম নিয়ন্ত্রণ নেই এবং দিনশেষে আবারও যে আমরা পুরনো রাজনীতিতেই ফিরে যাচ্ছি, সেটিই ইঙ্গিত করে।’
সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনের আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সরাইল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির এনাম খাঁ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া প্রমুখ। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
এদিকে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে প্রধান অতিথি করায় স্থানীয় বিএনপির একটি অংশ উপজেলা প্রশাসনের উক্ত অনুষ্ঠান বয়কট করে বলে জানা যায়।
সরাইলের পর তিনি আশুগঞ্জের অনুষ্ঠানেও যোগ দিয়ে জুলাই আন্দোলনসহ সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।