
ইফতিয়াজ সুমন, সুনামগঞ্জ :
খুব শীঘ্রই ইউনিয়ন নির্বাচন-সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা হবে– সরকারের তরফ থেকে এমন ঘোষণার পর সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার খুরমা দক্ষিণ ৮নং
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন খুরমা দক্ষিন ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের টানা ৩ বারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য ,ও সাবেক চেয়ারম্যান ভারপ্রাপ্ত , ও বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান তালুকদার জাহাঙ্গীর। তিনি নিজ এলাকার মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করার লক্ষ্যে নির্বাচনী মাঠে সবাইকে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন, দক্ষিন খুরমা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়াডের বাউর গ্রামের বাসিন্দা মুহিবুর রহমান তালুকদার জাহাঙ্গীর। তিনি একজন শিক্ষানুরাগী,তরুনসমাজসেবী, এলাকার উন্নয়নে নিবেদিত ব্যক্তি হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তিনি একটি জনসেবামূলক আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন গড়ার স্বপ্ন নিয়ে কাজ করতে চান।আদর্শিক সেবা: মানবতার শ্রেষ্ঠ আদর্শ হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে, কোনো প্রকার স্বজনপ্রীতি বা বৈষম্য ছাড়া স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সাথে প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া তাঁর জীবনের প্রধান অঙ্গীকার। নির্বাচনী ভিশন ও অঙ্গীকারে- প্রার্থী মুহিবুর রহমান তালুকদার জাহাঙ্গীর তাঁর ইউনিয়নকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় ঢেলে সাজানোর বেশ কিছু লক্ষ্য তুলে ধরেছেন-এলাকার মুরুব্বিদের পরামর্শ , তরুণ প্রজন্মের মেধার উদ্ভাবনী শক্তি এবং যুবকদের কর্মস্পৃহাকে কাজে লাগিয়ে খুরমা দক্ষিণ ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, সমার্ট,দুর্নীতিমুক্ত এবং জবাবদিহিতামূলক ইউনিয়নে রূপান্তর করা সম্ভব বলে মনে করেন। যেখানে থাকবে বৈষম্যহীন সেবাপ্রদান! কোনো প্রকার স্বজনপ্রীতি বা বৈষম্য ছাড়াই প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও সেবা পৌঁছে দেওয়া তার মূল উদ্দেশ্য। নির্বাচন প্রসঙ্গে মুহিবুর রহমান তালুকদার জাহাঙ্গীর বলেন, আমি আমার ইউনিয়নের মানুষের সেবক হতে চাই। আমি কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর নয়, বরং খুরমা দক্ষিণ ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে চাই।তিনি আরও বলেন আমি আমার প্রিয় খুরমা দক্ষিণ ইউনিয়নকে একটি মডেল,আলোকিত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছি। যেখানে থাকবে সকল জনসাধারণের সমমানজনক অধিকার ! এই পথচলায় আমি আমার সম্মানিত ইউনিয়ন বাসির দোয়া,ভালবাসা,পরামর্শ, সহযোগিতা ও সমতন প্রত্যাশা করছি।এলাকার সবমহলে সাধারণ ভোটারদের মাঝে তাঁর এই প্রার্থিতা ঘোষণা ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির কারণে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে এবং সবজনের কাছে গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন।