
ফারুকুর রহমান বিনজু, পটিয়া(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি-দেশের প্রাচীনতম স্কুলের মধ্যে পটিয়া আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয় ১১তম স্হানে আছে।১৮১বছরের পুরোন এ শিক্ষা প্রতিস্টান দক্ষিণ চট্টগ্রামে শিক্ষা ইতিহাস সংস্কৃতি ঐতিহ্যর সাথে জড়িত। এই বিদ্যালয় থেকে উঠে এসেছে অনেক অনেক জ্ঞানী গুণী, শিক্ষানুরাগী,প্রতিভাময়ী শিক্ষার্থী।আজ দেশের আনাচে কানাচে বড় বড় পদে অধিস্টিত হয়ে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে।ফলে এই স্কুলকে অবশ্যই সরকারি করন করা হবে।সরকারি করণ করতে আমি শিক্ষা মন্ত্রীর সাথে যোগাযোগ করবো।
বুধবার (১৬ই সেপ্টেম্বর) পটিয়া আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের সংবর্ধনা ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রাক্তন ছাত্র গাজী মুহাম্মদ আবু তাহেরের সভাপতিত্বে অনুস্টানে বিদ্যালয়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম,পটিয়া ক্লাবের সদস্য সচিব মোজাম্মেল হক, দঃজেলা বিএনপির সদস্য শফিকুল ইসলাম চেয়ারম্যান,উপজেলা ক্রীড়া উন্নয়ন সভাপতি মইনুল আলম ছোটন,সাবেক পৌর মেয়র নুরুল ইসলাম সওদাগর গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুনিল কুমার বড়ুয়া,অনুস্টান পরিচালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক চন্দন কান্তি নাথ।
অত্র বিদ্যালয় হতে যে সব গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিগণ আধ্যয়ণরত ছিলেন।তারা হলেন বিভূতিজয়ী ইতিহাসবিদ শরৎচন্দ্র দাস,কংগ্রেস নেতা যাত্রা মোহন সেন,কবি ও ম্যাজিস্ট্রেট নবীন চন্দ্র দাশ,সাহিত্য বিশ্লেষক ও কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্নেহধন্য শশাংক মোহন সেন,পুথি সংগ্রাহক আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ,ইত্যাদির উপস্হাপক হানিফ সংকেত,ডক্টর আতাউল হাকিম,ডক্টর আহমদ শরীফ,সহ আরো অনেক মূল্যবান ব্যক্তিত্ব এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।