ফেনীতে ভবঘুরে দিনমজুর হত্যা: ২৪ ঘণ্টার আগেই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার, উদ্ধার হলো হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি
Reporter Name
Update Time :
সোমবার, জুলাই ২৭, ২০২৬,
2 Time View
ফেনীতে ভবঘুরে দিনমজুর হত্যা: ২৪ ঘণ্টার আগেই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার, উদ্ধার হলো হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি
আবুল হাসনাত তুহিন ফেনী ফেনী শহরের মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে ভবঘুরে দিনমজুর নুর নবী হোসেন (৩০) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই অভিযুক্ত মো. শাহ পরান ওরফে ফয়সাল ওরফে সাদ্দাম হোসেনকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো ছুরিটিও উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, নিহত নুর নবী হোসেনের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নে। নদীভাঙনের পর পরিবার ঢাকায় চলে গেলেও তিনি পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দীর্ঘদিন ধরে ফেনীর মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে ভাসমান অবস্থায় বসবাস করতেন। দাগনভূঞা উপজেলার এক নারী বিবি ফাতেমার সঙ্গে পরিচয়ের পর তারা বিয়ে করেন। জীবিকার তাগিদে দুজনই রাস্তাঘাট থেকে প্লাস্টিকের বোতল কুড়িয়ে বিক্রি করতেন এবং বিভিন্ন দিনমজুরির কাজ করে সংসার চালাতেন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৬ জুলাই ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় অভিযুক্ত শাহ পরান নিহতের স্ত্রীকে উত্ত্যক্ত করার চেষ্টা করেন। এতে নুর নবী হোসেনের ঘুম ভেঙে গেলে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে শাহ পরান তার কাছে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে নুর নবী হোসেনের পেটে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা প্রথমে নুর নবীকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে পথে তার অবস্থার অবনতি হয়। পরে পুনরায় ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বিবি ফাতেমা বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ৩০২ ধারায় রুজু হওয়ার পর পুলিশ সুপার ফেনীর সার্বিক দিকনির্দেশনায় ফেনী মডেল থানার একটি বিশেষ দল, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী সার্কেল) এবং দাগনভূঞা থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালায়। অভিযানের এক পর্যায়ে সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে দাগনভূঞা থানা এলাকা থেকে পলাতক শাহ পরানকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং তার দেখানো মতে মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচের একটি পরিত্যক্ত গর্ত থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত শাহ পরানের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি ও মাদকসহ মোট সাতটি মামলা রয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
5
আবুল হাসনাত তুহিন ফেনী
ফেনী শহরের মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে ভবঘুরে দিনমজুর নুর নবী হোসেন (৩০) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই অভিযুক্ত মো. শাহ পরান ওরফে ফয়সাল ওরফে সাদ্দাম হোসেনকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো ছুরিটিও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, নিহত নুর নবী হোসেনের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নে। নদীভাঙনের পর পরিবার ঢাকায় চলে গেলেও তিনি পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দীর্ঘদিন ধরে ফেনীর মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে ভাসমান অবস্থায় বসবাস করতেন। দাগনভূঞা উপজেলার এক নারী বিবি ফাতেমার সঙ্গে পরিচয়ের পর তারা বিয়ে করেন। জীবিকার তাগিদে দুজনই রাস্তাঘাট থেকে প্লাস্টিকের বোতল কুড়িয়ে বিক্রি করতেন এবং বিভিন্ন দিনমজুরির কাজ করে সংসার চালাতেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৬ জুলাই ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় অভিযুক্ত শাহ পরান নিহতের স্ত্রীকে উত্ত্যক্ত করার চেষ্টা করেন। এতে নুর নবী হোসেনের ঘুম ভেঙে গেলে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে শাহ পরান তার কাছে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে নুর নবী হোসেনের পেটে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা প্রথমে নুর নবীকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে পথে তার অবস্থার অবনতি হয়। পরে পুনরায় ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বিবি ফাতেমা বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ৩০২ ধারায় রুজু হওয়ার পর পুলিশ সুপার ফেনীর সার্বিক দিকনির্দেশনায় ফেনী মডেল থানার একটি বিশেষ দল, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী সার্কেল) এবং দাগনভূঞা থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালায়।
অভিযানের এক পর্যায়ে সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে দাগনভূঞা থানা এলাকা থেকে পলাতক শাহ পরানকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং তার দেখানো মতে মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচের একটি পরিত্যক্ত গর্ত থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত শাহ পরানের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি ও মাদকসহ মোট সাতটি মামলা রয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।