
মাহবুবুজ্জামান সেতু,স্টাফ রিপোর্টার:দেশের সামগ্রিক সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রথম ষান্মাসিকের (জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৬) মুদ্রানীতি প্রণয়নের লক্ষ্যে এক বিশেষ মতবিনিময়
সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংক, বগুড়ার সেমিনার কক্ষে দিনব্যাপী এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নীতিনির্ধারণী দিকনির্দেশনা দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
মো:মোস্তাকুর রহমান।
সভায় দেশের মুদ্রাবাজার ও ব্যাংকিং খাতের সমসাময়িক নানা চ্যালেঞ্জ এবং তা মোকাবিলায় মুদ্রানীতির কার্যকর ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে বাজারে মুদ্রা সরবরাহ স্বাভাবিক রেখে পণ্যের মূল্যস্তর নাগালের মধ্যে রাখা এবং রেপো ও রিভার্স রেপোর মতো নীতি হার ব্যবহারের মাধ্যমে কার্যকর তারল্য ব্যবস্থাপনার
ওপর জোর দেওয়া হয়।
এছাড়া বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সুরক্ষা এবং ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখার নানামুখী কৌশল নিয়ে কথা বলেন বক্তারা। দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি হিসেবে পরিচিত কৃষি এবং কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতে টেকসই ঋণ প্রবাহ নিশ্চিতকরণের বিষয়টিও আলোচনায় বিশেষভাবে প্রাধান্য পায়।
গভর্নরের দূরদর্শী বক্তব্য পেশাগত জীবনে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ”- মো:রুহুল আমিন, জোনাল ম্যানেজার, রাকাব নওগাঁ।
উক্ত নীতিনির্ধারণী সভায় অংশ নেন রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) নওগাঁ অঞ্চলের জোনাল ম্যানেজার মো:রুহুল আমিন। অনুষ্ঠান শেষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের উচ্ছ্বাস ও অভিজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংকের মাননীয় গভর্নরের দূরদর্শী বক্তব্য ও দিকনির্দেশনা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। দেশের মুদ্রাবাজার ও ব্যাংকিং খাতের নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ার অংশীজন হতে পারা এবং গভর্নরের সাথে সরাসরি মতবিনিময়ের এই অভিজ্ঞতা পেশাগত জীবনে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।”
তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, অংশীজনদের সম্মিলিত মতামত ও সুচিন্তিত সংস্কারের মাধ্যমে আগামী দিনের মুদ্রানীতি দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল, টেকসই ও স্থিতিশীল করতে সক্ষম হবে।
সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় ব্যাংকিং খাতের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক খাতের অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।