
কামরুল ০১৮৮৩০৮৮০৮৪
কক্সবাজারের টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে পরিচালিত বিশেষ যৌথ অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ এক অভিযুক্ত ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই অভিযানে ইয়াবাসহ একজন, একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আসামি এবং অনলাইন জুয়ার অভিযোগে ১৫ জনসহ মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটা থেকে সন্ধ্যা পৌনে ৭টা পর্যন্ত ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নেতৃত্বে টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে ১৬ এপিবিএনের পাশাপাশি জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, র্যাব-১৫, বিজিবি, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, ব্যাটালিয়ন আনসার এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মোট ২৮০ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতি, হত্যা ও অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে তিনটি হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক এবং ১৬ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
অভিযানের আরেক ধাপে ২২ ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করা হয়।
এছাড়া অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৫ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ কাউছার সিকদার বলেন, রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সন্ত্রাস, ডাকাতি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে নিয়মিত সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পকেন্দ্রিক অপরাধ দমনে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।