1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা : দৈনিক বাংলাদেশ পত্রিকা
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
তাহিরপুরে কয়লা আমদানি কারক গ্রুপের নির্বাচনে প্রচার সম্পাদক পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করছেন মোক্তার আবেদীন রাজু। পটিয়ায় বিএনপির বিপ্লব ও জাতীয় সংহতি দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা। জামালগঞ্জে কারিতাসের উদ্যোগে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির বিনামূল্যে টিকাদান কর্মসূচি পালিত। ঝালকাঠির রাজাপুরে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইউএনও রিফাত আরা মৌরি* নতুন ঘর পেয়ে আবেগে কাঁদলেন জনম দুঃখী হতদরিদ্র জবেতন বিবি* কিশোরগঞ্জে জামাত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের ছেলেকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত তাহিরপুর উপজেলা কয়লা আমদানি কারক গ্রুপের নির্বাচনে সিনিয়র সহ- সভাপতি পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করছেন আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ। নবীনগরে অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নওগাঁর সাপাহারে ১৬ বিজিবি’র আওতায় নতুন আদাতলা বিওপি ক্যাম্পের উদ্বোধন। নবীনগর পৌরসভায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০ ‎শ্যামনগরে লবণাক্ততা নিরসন ও কৃষি অভিযোজনবিষয়ক প্রশিক্ষণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

জগদীশ-মিরার দিন কাটে খেয়ে না খেয়ে

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৪ Time View
110

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:১১ আগষ্ট/২৬
জয়পুরহাটের পাঁচবিবির গোপালপুর মহল্লায় পৌরসভার ড্রেনের পাশে ভাঙা টিনের ঘরে অতি কষ্টে জীবনযাপন করে (জগদীশ-মিরা)।
জগদীশের জন্ম গাইবান্ধার বামনডাঙ্গায় হলেও সেলো মেশিন মিস্ত্রির কাজের সুবাদে ১৯৭৪ সালে পাঁচবিবির মিরা সাহাকে বিয়ে করে এখানেই সংসার পাতেন। এক সময় ২ ছেলে ও ২ মেয়েকে নিয়ে তাদের সংসারে সুখের অভাব ছিল না। জগদীশ মিস্ত্রির কাজ করে ও মিরা চাতালে শ্রমিকের কাজ করত।
বয়সের ভারে এখন আর কাজ করতে পারেন না জগদীশ। অসুস্থতা ও বয়সের কারণে মিরাও শ্রমের কাজ ছেড়ে দিয়েছেন। সংসারে উপার্জনক্ষম কেউ না থাকায় দু’বেলা দুমুঠো খাবার জোটাতেই হিমশিম খেতে হয় এই বৃদ্ধ দম্পতির।
বড় ছেলে বিয়ে করে আলাদা সংসার করছে, নিজের সংসারই চলে না তাই বাবা-মায়ের খোঁজ নেন না। বড় মেয়ের বিয়ে হয়েছে তার সংসারেও অভাব। ছোট ছেলে প্রায় ১৫’বছর ধরে নিখোঁজ। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ অনেক জায়গায় খোঁজ করেও মেলেনি তার কোনো সন্ধান।
তাদের এখন একমাত্র ভরসা ছোট মেয়ে। ছোটবেলায় বড়লোকের ঘরে বিয়ে দিলেও শাশুড়ির নির্যাতনে সেই সংসার টেকেনি। এখন সে ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করে। প্রতি মাসে কিছু টাকা বৃদ্ধ মা-বাবার কাছে পাঠায়। সেই টাকাতেই কোনোমতে দিন পার করেন জগদীশ-মিরা।
জগদীশকে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেন স্থানীয় কাউন্সিলর। তাদের নিজস্ব কোনো জমি নেই। পৌরসভার ড্রেনের পাশে অন্যের পরিত্যক্ত জায়গায় ঘর তুলে থাকেন। ঘরে বিদ্যুতের সংযোগ নেই। বর্ষা এলে ঘর ও বারান্দায় পানি ঢুকে পড়ে।
প্রতিবেশীরা বলেন, এক সময় জগদীশের সুখের সংসার ছিল। এখন বয়স আর অভাবের কারণে তাদের কষ্টের শেষ নেই। সরকার বা বিত্তবানরা যদি একটু সহযোগিতা করতেন তাহলে বৃদ্ধ বয়সে শান্তি পেতেন।
ভাঙা ঘরের সামনে বসে আছেন বৃদ্ধ জগদীশ সাহা ও তার স্ত্রী মিরা সাহা। অভাব আর অসুস্থতাই এখন তাদের নিত্যসঙ্গী।
আকতার হোসেন বকুল
০১৭৩৩-১৪১৬৩৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026