গৃহবধূর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায়্য মসজিদের ইমাম হাতেনাতে আটক।
গোলাম মোস্তফা শার্শা উপজেলা প্রতিনিধি (যশোর)
Update Time :
শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
১৬১
Time View
গৃহবধূর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায়্য মসজিদের ইমাম হাতেনাতে আটক।
গোলাম মোস্তফা শার্শা উপজেলা প্রতিনিধি (যশোর) তারিখ: ১৪ মার্চ ২০২৬ শনিবার যশোরের শার্শা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ডুবপাড়া গ্রামে এক গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে মসজিদের ইমামকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় গ্রামবাসী। ঘটনাটি নিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডুবপাড়া গ্রামের মসজিদের ইমাম নিয়ামত উল্লাহ নাঈমের সঙ্গে একই গ্রামের দুই সন্তানের জননী রাবেয়া খাতুনের দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। রাবেয়া খাতুনের স্বামী বিল্লাল হোসেন। গতকাল শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত প্রায় ১০টার দিকে স্থানীয় গ্রামবাসী তাদেরকে সন্দেহজনক অবস্থায় একসঙ্গে দেখতে পেয়ে হাতেনাতে আটক করেন। পরে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পরপরই রাবেয়া খাতুনকে তার স্বামী বিল্লাল হোসেন নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। অন্যদিকে অভিযুক্ত মসজিদের ইমাম নিয়ামত উল্লাহ নাঈমকে মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের তত্ত্বাবধানে মসজিদের পাশে একটি কক্ষে রাখা হয়েছে। জানা গেছে, ইমাম নিয়ামত উল্লাহ নাঈমের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার সাতালিয়া গ্রামে। ঘটনার পর তার পরিবারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং অভিভাবকদের এসে তাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় মসজিদ কমিটির সদস্যরা জানান, বিষয়টি নিয়ে গ্রামবাসীর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
167
গোলাম মোস্তফা
শার্শা উপজেলা প্রতিনিধি (যশোর)
তারিখ: ১৪ মার্চ ২০২৬ শনিবার
যশোরের শার্শা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ডুবপাড়া গ্রামে এক গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে মসজিদের ইমামকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় গ্রামবাসী। ঘটনাটি নিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডুবপাড়া গ্রামের মসজিদের ইমাম নিয়ামত উল্লাহ নাঈমের সঙ্গে একই গ্রামের দুই সন্তানের জননী রাবেয়া খাতুনের দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। রাবেয়া খাতুনের স্বামী বিল্লাল হোসেন।
গতকাল শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত প্রায় ১০টার দিকে স্থানীয় গ্রামবাসী তাদেরকে সন্দেহজনক অবস্থায় একসঙ্গে দেখতে পেয়ে হাতেনাতে আটক করেন। পরে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পরপরই রাবেয়া খাতুনকে তার স্বামী বিল্লাল হোসেন নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। অন্যদিকে অভিযুক্ত মসজিদের ইমাম নিয়ামত উল্লাহ নাঈমকে মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের তত্ত্বাবধানে মসজিদের পাশে একটি কক্ষে রাখা হয়েছে।
জানা গেছে, ইমাম নিয়ামত উল্লাহ নাঈমের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার সাতালিয়া গ্রামে। ঘটনার পর তার পরিবারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং অভিভাবকদের এসে তাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় মসজিদ কমিটির সদস্যরা জানান, বিষয়টি নিয়ে গ্রামবাসীর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।