বাবা হত্যা মামলায় ছেলের যাবজ্জীবন, খালাস স্ত্রীসহ তিনজন
মাহিন আহমেদ কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
Update Time :
সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
৩১
Time View
বাবা হত্যা মামলায় ছেলের যাবজ্জীবন, খালাস স্ত্রীসহ তিনজন
মাহিন আহমেদ কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জে আবু বাক্কার সিদ্দিক হত্যা মামলায় তার ছেলে মো. সেলিমকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে। সোমবার (১৭ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক সুপ্রিয়া রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত সেলিম আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। মামলার অপর তিন আসামি নিহতের স্ত্রী মোছা. আছিয়া খাতুন, ছেলে মো. জাবেদ ও পুত্রবধূ মোছা. ময়না খাতুনকে অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় তারা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৪ জুলাই পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আবু বাক্কার সিদ্দিকের সঙ্গে তার স্ত্রী আছিয়া খাতুনের ঝামেলা হয়। একপর্যায়ে স্ত্রীকে মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার বিরোধ আরও বাড়ে। এর কয়েক দিন পর ৩০ জুলাই রাতে খাবার খেয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন আবু বাক্কার। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ওই রাত ১১টা থেকে পরদিন সকাল ৬টার মধ্যে কোনো একসময় ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হয়। পরে কম্বল দিয়ে তার মরদেহ ঢেকে রাখা হয়। পরদিন সকালে সেলিম বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে তার বাবাকে হত্যার কথা বলতে থাকেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি নিজের পেটে ছুরি দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করলে পরিবারের সদস্যরা তাকে আটক করেন। পরে আবু বাক্কারকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত সেলিমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মো. আবু হানিফ বাদী হয়ে ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় সেলিম, জাবেদ, আছিয়া খাতুন ও ময়না খাতুনসহ অজ্ঞাত আরও দুই-তিনজনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত সেলিমকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।
60
মাহিন আহমেদ
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
কিশোরগঞ্জে আবু বাক্কার সিদ্দিক হত্যা মামলায় তার ছেলে মো. সেলিমকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক সুপ্রিয়া রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত সেলিম আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
মামলার অপর তিন আসামি নিহতের স্ত্রী মোছা. আছিয়া খাতুন, ছেলে মো. জাবেদ ও পুত্রবধূ মোছা. ময়না খাতুনকে অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় তারা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৪ জুলাই পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আবু বাক্কার সিদ্দিকের সঙ্গে তার স্ত্রী আছিয়া খাতুনের ঝামেলা হয়। একপর্যায়ে স্ত্রীকে মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার বিরোধ আরও বাড়ে।
এর কয়েক দিন পর ৩০ জুলাই রাতে খাবার খেয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন আবু বাক্কার। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ওই রাত ১১টা থেকে পরদিন সকাল ৬টার মধ্যে কোনো একসময় ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হয়। পরে কম্বল দিয়ে তার মরদেহ ঢেকে রাখা হয়।
পরদিন সকালে সেলিম বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে তার বাবাকে হত্যার কথা বলতে থাকেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি নিজের পেটে ছুরি দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করলে পরিবারের সদস্যরা তাকে আটক করেন।
পরে আবু বাক্কারকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত সেলিমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মো. আবু হানিফ বাদী হয়ে ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় সেলিম, জাবেদ, আছিয়া খাতুন ও ময়না খাতুনসহ অজ্ঞাত আরও দুই-তিনজনকে আসামি করা হয়।
দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত সেলিমকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।