সাংবাদিকতার নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতে ইউপিসিসির ৫ দফা, জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি মো: জহিরুল ইসলাম ০১৩০৭-৮৭১৭৪৪
Update Time :
সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
৭১
Time View
সাংবাদিকতার নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতে ইউপিসিসির ৫ দফা, জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি মো: জহিরুল ইসলাম ০১৩০৭-৮৭১৭৪৪ সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা প্রশ্নে নতুন করে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে সারাদেশে গণমাধ্যমকর্মীদের জানমালের নিরাপত্তা, হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিতের দাবিতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কাছে পাঁচ দফা স্মারকলিপি দিয়েছে ইউনাইটেড প্রেসক্লাব চট্টগ্রাম (ইউপিসিসি)। সোমবার (১৭ আগস্ট) চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিয়ার হাতে ইউপিসিসির কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দ স্মারকলিপিটি তুলে দেন। এতে সংগঠনের সভাপতি শিবিবর আহমেদ ওসমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষর করেন। স্মারকলিপিতে সাংবাদিক নির্যাতন, গুম ও খুনের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক, কাল্পনিক, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে গ্রেপ্তার ও কারাবন্দি সাংবাদিকদের নিঃশর্ত মুক্তি, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা এবং স্বাধীনভাবে কাজের আইনি ও সামাজিক পরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে গণমাধ্যম দমনমূলক আইন বাতিল অথবা প্রয়োজনীয় সংস্কারের দাবিও তুলে ধরা হয়েছে। ইউপিসিসির সভাপতি শিবির আহমেদ ওসমান বলেন, "গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ গণমাধ্যম। সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন, গুম ও মিথ্যা মামলার হয়রানি স্বাধীন সাংবাদিকতার পথকে রুদ্ধ করছে। অবিলম্বে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সকল কালো আইন বাতিল বা সংশোধন করতে হবে।" সংগঠনের সহ-সভাপতি জামাল চৌধুরী বিপ্লব বলেন, সত্য প্রকাশে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের যেকোনো অপচেষ্টা রুখে দেওয়া হবে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ছাড়া সুস্থ সমাজ কল্পনা করা যায় না। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া কাল্পনিক মামলা দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে। সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, "পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের কারাবন্দি হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অবিলম্বে কারাবন্দি সাংবাদিকদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং স্বাধীনভাবে কাজের আইনি ও সামাজিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।" স্মারকলিপিতে বলা হয়, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা শুধু সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার নয়; এটি নাগরিকের তথ্য জানার অধিকার এবং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক জবাবদিহি নিশ্চিতের অন্যতম ভিত্তি। তাই সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার স্বার্থেই জরুরি। স্মারকলিপির অনুলিপি সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী, আইনমন্ত্রীসহ প্রশাসনের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের কাছে পাঠানো হয়েছে। স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন ইউপিসিসির সহ-সভাপতি জামাল চৌধুরী বিপ্লব, যুগ্ম সম্পাদক কবির আহমেদ মানিক ও মাহমুদ হায়দার জীবন, সহ-সাধারণ সম্পাদক রোকন উদ্দিন জয়, সাংগঠনিক সম্পাদক অরূপ চন্দ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অলি চৌধুরী এবং শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মানসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মানে শুধু একটি পেশাকে সুরক্ষা দেওয়া নয়; বরং মানুষের সত্য জানার অধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় জবাবদিহির পথকে সুরক্ষিত রাখা-এমন অবস্থান থেকেই ইউপিসিসি পাঁচ দফা দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে।
113
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
মো: জহিরুল ইসলাম ০১৩০৭-৮৭১৭৪৪
সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা প্রশ্নে নতুন করে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে সারাদেশে গণমাধ্যমকর্মীদের জানমালের নিরাপত্তা, হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিতের দাবিতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কাছে পাঁচ দফা স্মারকলিপি দিয়েছে ইউনাইটেড প্রেসক্লাব চট্টগ্রাম (ইউপিসিসি)।
সোমবার (১৭ আগস্ট) চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিয়ার হাতে ইউপিসিসির কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দ স্মারকলিপিটি তুলে দেন। এতে সংগঠনের সভাপতি শিবিবর আহমেদ ওসমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষর করেন।
স্মারকলিপিতে সাংবাদিক নির্যাতন, গুম ও খুনের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক, কাল্পনিক, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে গ্রেপ্তার ও কারাবন্দি সাংবাদিকদের নিঃশর্ত মুক্তি, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা এবং স্বাধীনভাবে কাজের আইনি ও সামাজিক পরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে গণমাধ্যম দমনমূলক আইন বাতিল অথবা প্রয়োজনীয় সংস্কারের দাবিও তুলে ধরা হয়েছে।
ইউপিসিসির সভাপতি শিবির আহমেদ ওসমান বলেন, “গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ গণমাধ্যম। সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন, গুম ও মিথ্যা মামলার হয়রানি স্বাধীন সাংবাদিকতার পথকে রুদ্ধ করছে। অবিলম্বে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সকল কালো আইন বাতিল বা সংশোধন করতে হবে।”
সংগঠনের সহ-সভাপতি জামাল চৌধুরী বিপ্লব বলেন, সত্য প্রকাশে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের যেকোনো অপচেষ্টা রুখে দেওয়া হবে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ছাড়া সুস্থ সমাজ কল্পনা করা যায় না। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া কাল্পনিক মামলা দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে।
সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের কারাবন্দি হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অবিলম্বে কারাবন্দি সাংবাদিকদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং স্বাধীনভাবে কাজের আইনি ও সামাজিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।”
স্মারকলিপিতে বলা হয়, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা শুধু সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার নয়; এটি নাগরিকের তথ্য জানার অধিকার এবং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক জবাবদিহি নিশ্চিতের অন্যতম ভিত্তি। তাই সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার স্বার্থেই জরুরি।
স্মারকলিপির অনুলিপি সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী, আইনমন্ত্রীসহ প্রশাসনের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের কাছে পাঠানো হয়েছে।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন ইউপিসিসির সহ-সভাপতি জামাল চৌধুরী বিপ্লব, যুগ্ম সম্পাদক কবির আহমেদ মানিক ও মাহমুদ হায়দার জীবন, সহ-সাধারণ সম্পাদক রোকন উদ্দিন জয়, সাংগঠনিক সম্পাদক অরূপ চন্দ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অলি চৌধুরী এবং শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মানসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মানে শুধু একটি পেশাকে সুরক্ষা দেওয়া নয়; বরং মানুষের সত্য জানার অধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় জবাবদিহির পথকে সুরক্ষিত রাখা-এমন অবস্থান থেকেই ইউপিসিসি পাঁচ দফা দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে।