আনোয়ারার গহিরায় বেড়িবাঁধ ভেঙে তীব্র আতঙ্ক: দ্রুত সংস্কার না হলে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা
চট্টগ্রাম বিভাগীয় রিপোর্টার
Update Time :
সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
৩৩
Time View
আনোয়ারার গহিরায় বেড়িবাঁধ ভেঙে তীব্র আতঙ্ক: দ্রুত সংস্কার না হলে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা
চট্টগ্রাম বিভাগীয় রিপোর্টার: মো: জহিরুল ইসলাম ০১৩০৭-৮৭১৭৪৪ চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপকূলীয় অঞ্চলের গহিরা বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রবল জোয়ারের পানির তোড় ও তীব্র ঢেউয়ের আঘাতে মুহূর্তেই সাগরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে রক্ষা বাঁধ। বাঁধের বড় একটি অংশ ধসে পড়ায় চরম উৎকণ্ঠা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় উপকূলবাসী। সরেজমিনে দেখা যায়, সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের আঘাতে বেড়িবাঁধের মাটির বিশাল অংশ ধসে পড়ছে। একই সাথে উপড়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে সড়কের পাশে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটি ও চলাচলের পথ। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণে অনিয়ম এবং সঠিক সময়ে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণেই আজ এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার কাজ শুরু না হলে জোয়ারের লোনা পানিতে তলিয়ে যাবে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও মাছের ঘের। ঝুঁকিতে স্থানীয় জনপদ: বাঁধের ভাঙনকবলিত অংশ দিয়ে যেকোনো মুহূর্তে লোকালয়ে পানি ঢুকে প্লাবিত হতে পারে বিস্তীর্ণ এলাকা। যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। বৈদ্যুতিক খুঁটি হেলে পড়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। উপকূলবাসীর জানমাল রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। অবিলম্বে জিওব্যাগ ডাম্পিংসহ দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
63
চট্টগ্রাম বিভাগীয় রিপোর্টার:
মো: জহিরুল ইসলাম ০১৩০৭-৮৭১৭৪৪
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপকূলীয় অঞ্চলের গহিরা বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রবল জোয়ারের পানির তোড় ও তীব্র ঢেউয়ের আঘাতে মুহূর্তেই সাগরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে রক্ষা বাঁধ। বাঁধের বড় একটি অংশ ধসে পড়ায় চরম উৎকণ্ঠা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় উপকূলবাসী।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের আঘাতে বেড়িবাঁধের মাটির বিশাল অংশ ধসে পড়ছে। একই সাথে উপড়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে সড়কের পাশে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটি ও চলাচলের পথ।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণে অনিয়ম এবং সঠিক সময়ে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণেই আজ এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার কাজ শুরু না হলে জোয়ারের লোনা পানিতে তলিয়ে যাবে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও মাছের ঘের।
ঝুঁকিতে স্থানীয় জনপদ:
বাঁধের ভাঙনকবলিত অংশ দিয়ে যেকোনো মুহূর্তে লোকালয়ে পানি ঢুকে প্লাবিত হতে পারে বিস্তীর্ণ এলাকা।
যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
বৈদ্যুতিক খুঁটি হেলে পড়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
উপকূলবাসীর জানমাল রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। অবিলম্বে জিওব্যাগ ডাম্পিংসহ দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।