রাজশাহীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে পোনা মাছ অবমুক্ত ও বর্ণাঢ্য র্যালি
মোঃ মাহাবুল ইসলাম মুন্না স্টাফ রিপোর্টার:
Update Time :
সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
৪০
Time View
রাজশাহীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে পোনা মাছ অবমুক্ত ও বর্ণাঢ্য র্যালি
মোঃ মাহাবুল ইসলাম মুন্না স্টাফ রিপোর্টার: ‘রূপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে রাজশাহীতে পোনামাছ অবমুক্তকরণ ও বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর, রাজশাহীর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। রবিবার (১৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহী কালেক্টরেট পুকুরে পোনামাছ অবমুক্ত করার মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা জাতীয় মৎস্য পক্ষের প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ, জলাশয়ের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং মৎস্যসম্পদের উন্নয়নের বিভিন্ন বার্তা তুলে ধরেন। র্যালিটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু, এমপি। তিনি পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং জাতীয় মৎস্য পক্ষের বিভিন্ন কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম বজলুর রশীদ, রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরসহ জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা। কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, দেশের মানুষের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে মাছের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। একই সঙ্গে মৎস্য খাত দেশের অর্থনীতি ও গ্রামীণ কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। পরিকল্পিতভাবে মাছের চাষ বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক জলাশয় সংরক্ষণ এবং দেশীয় মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করা গেলে মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে। তারা আরও বলেন, শুধু বাণিজ্যিক মাছ চাষ নয়, নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুরসহ বিভিন্ন জলাশয়ে দেশীয় মাছের নিরাপদ প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্র নিশ্চিত করাও জরুরি। এ জন্য মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ, মৎস্যচাষি ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বাড়ানো, নিরাপদ ও পুষ্টিকর মাছের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা, মৎস্যচাষিদের উৎসাহিত করা এবং মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাজশাহীতে পোনামাছ অবমুক্তকরণ ও বর্ণাঢ্য র্যালির মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি মৎস্য খাতের উন্নয়ন এবং জনগণের মধ্যে মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।
83
মোঃ মাহাবুল ইসলাম মুন্না স্টাফ রিপোর্টার:
‘রূপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে রাজশাহীতে পোনামাছ অবমুক্তকরণ ও বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর, রাজশাহীর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
রবিবার (১৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহী কালেক্টরেট পুকুরে পোনামাছ অবমুক্ত করার মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়।
র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা জাতীয় মৎস্য পক্ষের প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ, জলাশয়ের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং মৎস্যসম্পদের উন্নয়নের বিভিন্ন বার্তা তুলে ধরেন। র্যালিটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু, এমপি। তিনি পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং জাতীয় মৎস্য পক্ষের বিভিন্ন কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম বজলুর রশীদ, রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরসহ জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা।
কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, দেশের মানুষের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে মাছের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। একই সঙ্গে মৎস্য খাত দেশের অর্থনীতি ও গ্রামীণ কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। পরিকল্পিতভাবে মাছের চাষ বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক জলাশয় সংরক্ষণ এবং দেশীয় মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করা গেলে মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে।
তারা আরও বলেন, শুধু বাণিজ্যিক মাছ চাষ নয়, নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুরসহ বিভিন্ন জলাশয়ে দেশীয় মাছের নিরাপদ প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্র নিশ্চিত করাও জরুরি। এ জন্য মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ, মৎস্যচাষি ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বাড়ানো, নিরাপদ ও পুষ্টিকর মাছের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা, মৎস্যচাষিদের উৎসাহিত করা এবং মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
রাজশাহীতে পোনামাছ অবমুক্তকরণ ও বর্ণাঢ্য র্যালির মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি মৎস্য খাতের উন্নয়ন এবং জনগণের মধ্যে মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।