কুলিয়ারচরে মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবাসহ নাছির মিয়া আটক, ৪ মাসের কারাদণ্ড
মাহিন আহমেদ কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
Update Time :
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
৩৮
Time View
কুলিয়ারচরে মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবাসহ নাছির মিয়া আটক, ৪ মাসের কারাদণ্ড
মাহিন আহমেদ কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ নাছির মিয়া (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে কুলিয়ারচর থানাধীন বীরকাশিমনগর পশ্চিম পাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কুলিয়ারচর এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ভৈরব সার্কেলের সমন্বয়ে গঠিত মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স এ অভিযান চালায়। অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টাস্কফোর্সের সদস্যরা বীরকাশিমনগর পশ্চিম পাড়া এলাকায় নাছির মিয়ার বসতঘরে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় দুই কক্ষবিশিষ্ট টিনের ছাউনি দেওয়া বসতঘরের ভেতর থেকে তিন পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই নাছির মিয়াকে আটক করা হয়। আটক নাছির মিয়া বীরকাশিমনগর পশ্চিম পাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম মো. ইউসুফ। তিনি কুলিয়ারচর থানার আওতাধীন ওই এলাকায় বসবাস করেন। পরে উদ্ধার করা ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ভৈরব সার্কেলের পরিদর্শক চন্দন গোপাল সুর বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়াছিন খন্দকারের কাছে প্রসিকিউশন দাখিল করেন। প্রসিকিউশনের ভিত্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়াছিন খন্দকার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। শুনানি শেষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় নাছির মিয়াকে চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। তবে অভিযানের বিষয়ে দেওয়া প্রাথমিক প্রতিবেদনে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নামের জায়গায় ‘হৃদয়’ নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সঠিক নাম নাছির মিয়া, পিতা মো. ইউসুফ। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মাদকের বিস্তার রোধে জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক সংরক্ষণ, বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে এলাকায় মাদকসংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে আবাসিক এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার ফলে স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে বলে তারা মনে করেন। মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। মাদকদ্রব্যের অবৈধ ব্যবহার ও বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অভিযান পরিচালনাকারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ভৈরব সার্কেলের পরিদর্শক চন্দন গোপাল সুর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
88
মাহিন আহমেদ
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ নাছির মিয়া (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে কুলিয়ারচর থানাধীন বীরকাশিমনগর পশ্চিম পাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কুলিয়ারচর এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ভৈরব সার্কেলের সমন্বয়ে গঠিত মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স এ অভিযান চালায়।
অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টাস্কফোর্সের সদস্যরা বীরকাশিমনগর পশ্চিম পাড়া এলাকায় নাছির মিয়ার বসতঘরে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় দুই কক্ষবিশিষ্ট টিনের ছাউনি দেওয়া বসতঘরের ভেতর থেকে তিন পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই নাছির মিয়াকে আটক করা হয়।
আটক নাছির মিয়া বীরকাশিমনগর পশ্চিম পাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম মো. ইউসুফ। তিনি কুলিয়ারচর থানার আওতাধীন ওই এলাকায় বসবাস করেন।
পরে উদ্ধার করা ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ভৈরব সার্কেলের পরিদর্শক চন্দন গোপাল সুর বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়াছিন খন্দকারের কাছে প্রসিকিউশন দাখিল করেন।
প্রসিকিউশনের ভিত্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়াছিন খন্দকার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। শুনানি শেষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় নাছির মিয়াকে চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।
তবে অভিযানের বিষয়ে দেওয়া প্রাথমিক প্রতিবেদনে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নামের জায়গায় ‘হৃদয়’ নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সঠিক নাম নাছির মিয়া, পিতা মো. ইউসুফ।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মাদকের বিস্তার রোধে জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক সংরক্ষণ, বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে এলাকায় মাদকসংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে আবাসিক এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার ফলে স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে বলে তারা মনে করেন।
মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। মাদকদ্রব্যের অবৈধ ব্যবহার ও বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
অভিযান পরিচালনাকারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ভৈরব সার্কেলের পরিদর্শক চন্দন গোপাল সুর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।