1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা : দৈনিক বাংলাদেশ পত্রিকা
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
মুন্সীগঞ্জে ‘অ্যাওয়ার্ড অব এক্সিলেন্স-২০২৬’ পেল ইউনুছ খান মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজঃ প্রবাসীদের কল্যাণ ও সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ দূতাবাসের পাশে থাকবে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাব তাহিরপুরে কয়লা আমদানি কারক গ্রুপের নির্বাচনে প্রচার সম্পাদক পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করছেন মোক্তার আবেদীন রাজু। পটিয়ায় বিএনপির বিপ্লব ও জাতীয় সংহতি দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা। জামালগঞ্জে কারিতাসের উদ্যোগে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির বিনামূল্যে টিকাদান কর্মসূচি পালিত। ঝালকাঠির রাজাপুরে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইউএনও রিফাত আরা মৌরি* নতুন ঘর পেয়ে আবেগে কাঁদলেন জনম দুঃখী হতদরিদ্র জবেতন বিবি* কিশোরগঞ্জে জামাত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের ছেলেকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত তাহিরপুর উপজেলা কয়লা আমদানি কারক গ্রুপের নির্বাচনে সিনিয়র সহ- সভাপতি পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করছেন আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ। নবীনগরে অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নওগাঁর সাপাহারে ১৬ বিজিবি’র আওতায় নতুন আদাতলা বিওপি ক্যাম্পের উদ্বোধন।

ফার্মেসিতে কাজ করে জিপিএ-৫ পাওয়া সেই প্রান্তের পাশে দাঁড়াল বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রশাসন!

​সাধন সাহা জয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:
  • Update Time : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৩ Time View
97

​সাধন সাহা জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

​সংসারের অভাব আর অসুস্থ বাবার সেলাই মেশিনের সামান্য আয়ের সাথে লড়াই করে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের মেধাবী শিক্ষার্থী প্রান্ত দেবनाथ। তবে ভালো ফল করেও কলেজ ভর্তি ও পড়াশোনার খরচ চালানো নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল তার সামনে।

​অবশেষে এই অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়িয়েছে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রশাসন।

​এর আগে গত ২০/২১ আগস্ট জাতীয় কয়েকটি প্রিন্ট মিডিয়াতে ‘ফার্মেসি সামলে বইয়ে চোখ, প্রান্ত পেল জিপিএ ৫’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তারিকুল ইসলামের নজরে আসে।

আজ ২৩ আগস্ট দুপুরে ইউএনওর রুমে এই চেক প্রদান করা হয়। এরপরই তিনি প্রান্তের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব নেন এবং তার সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন।

​জানা যায়, অসুস্থ বাবার চিকিৎসার খরচ ও চার সদস্যের সংসার সামলানোর পাশাপাশি নিজের পড়াশোনার খরচ জোগাতে স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে কাজ করতেন প্রান্ত দেবনাথ। কাজের ফাঁকেই চলেছে তার পড়াশোনা। শত প্রতিকূলতা জয় করে তার এই কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল এলাকায় বেশ প্রশংসিত হয়।

​সংবাদ প্রকাশের পর ইউএনও মো. তারিকুল ইসলাম প্রান্তের এই সংগ্রামের গল্প জেনে তার পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন এবং উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করতে তাকে সহযোগিতা প্রদান করেন। উপজেলা প্রশাসনের এমন মানবিক পদক্ষেপে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন প্রান্ত ও তার পরিবার।

​প্রান্তের মতো সুবিধাবঞ্চিত ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা সমাজের পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দেশের একটি বড় সম্পদে পরিণত হতে পারে—এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026