প্রতিবেদক: আরিফ রহমান - নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের কোটবাড়িয়া থেকে সোনাপুর বাজার পর্যন্ত দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে থাকা একটি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অবশেষে নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কার করা হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্যোগে এবং চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মনির হোসেনের আর্থিক সহযোগিতায় এই সংস্কারকাজ সম্পন্ন হয়। এর ফলে এলাকার হাজারো মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ অবসান হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বজরা দিঘিরপার থেকে সোনাপুর বাজার পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চরম বেহাল দশায় পড়েছিল। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে বড় বড় গর্তে পানি ও কাদা জমে জলাশয়ের সৃষ্টি হতো। এর ফলে বয়স্ক মানুষ, শিশু এবং স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। এমনকি জরুরি প্রয়োজনে কোনো রোগী বহনকারী যানবাহন বা অ্যাম্বুলেন্সও এই পথে চলাচল করতে পারত না। এলাকার বেশ কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি সড়কটির এমন বেহাল দশা ও জনদুর্ভোগের বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি নেতা ও চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মনির হোসেনকে অবহিত করেন। সাধারণ মানুষের কষ্ট অনুধাবন করে তিনি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বরাদ্দের জন্য অপেক্ষা না করে নিজ উদ্যোগে ও অর্থায়নে দ্রুত রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করার সিদ্ধান্ত নেন। সংস্কারকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এলাকার বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি ব্যবহারহীন থাকায় নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো। বর্তমান এই উদ্যোগে রাস্তাটি সংস্কার হওয়ায় এখন খুব সহজেই চলাচল করা যাচ্ছে। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মনির হোসেন বলেন, “মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করা আমার নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে আমি মনে করি। মানুষের ছোট্ট একটি উপকার করতে পারলেও আমি আনন্দ পাই। এলাকার মানুষের যেকোনো সমস্যা জানতে পারলে সাধ্যমতো তা সমাধানে আমি সবসময় এগিয়ে আসব।” জনপ্রতিনিধিত্বের মূল লক্ষ্য সেবামূলক মনোভাব উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “জনপ্রতিনিধিত্বের মূল উদ্দেশ্য মানুষের সেবা করা। তাই এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে থেকে ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাব।”
92
প্রতিবেদক: আরিফ রহমান – নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের কোটবাড়িয়া থেকে সোনাপুর বাজার পর্যন্ত দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে থাকা একটি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অবশেষে নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কার করা হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্যোগে এবং চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মনির হোসেনের আর্থিক সহযোগিতায় এই সংস্কারকাজ সম্পন্ন হয়। এর ফলে এলাকার হাজারো মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ অবসান হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বজরা দিঘিরপার থেকে সোনাপুর বাজার পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চরম বেহাল দশায় পড়েছিল। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে বড় বড় গর্তে পানি ও কাদা জমে জলাশয়ের সৃষ্টি হতো। এর ফলে বয়স্ক মানুষ, শিশু এবং স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। এমনকি জরুরি প্রয়োজনে কোনো রোগী বহনকারী যানবাহন বা অ্যাম্বুলেন্সও এই পথে চলাচল করতে পারত না।
এলাকার বেশ কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি সড়কটির এমন বেহাল দশা ও জনদুর্ভোগের বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি নেতা ও চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মনির হোসেনকে অবহিত করেন। সাধারণ মানুষের কষ্ট অনুধাবন করে তিনি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বরাদ্দের জন্য অপেক্ষা না করে নিজ উদ্যোগে ও অর্থায়নে দ্রুত রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করার সিদ্ধান্ত নেন।
সংস্কারকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এলাকার বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি ব্যবহারহীন থাকায় নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো। বর্তমান এই উদ্যোগে রাস্তাটি সংস্কার হওয়ায় এখন খুব সহজেই চলাচল করা যাচ্ছে।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মনির হোসেন বলেন, “মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করা আমার নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে আমি মনে করি। মানুষের ছোট্ট একটি উপকার করতে পারলেও আমি আনন্দ পাই। এলাকার মানুষের যেকোনো সমস্যা জানতে পারলে সাধ্যমতো তা সমাধানে আমি সবসময় এগিয়ে আসব।”
জনপ্রতিনিধিত্বের মূল লক্ষ্য সেবামূলক মনোভাব উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “জনপ্রতিনিধিত্বের মূল উদ্দেশ্য মানুষের সেবা করা। তাই এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে থেকে ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাব।”