সাইফুল ইসলাম মিয়া, বানারীপাড়া (উপজেলা) প্রতিনিধি: বরিশালের বানারীপাড়ায় মায়ের সঙ্গে অভিমান করে সেতু হালদার (১১) নামে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে। তবে অল্প বয়সী এই শিশুর এমন অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত সেতু হালদার বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কলাভিটা গ্রামের বাসিন্দা। সে কলাভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা তপন হালদার ও মা নমিতা হালদার। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ২৮ আগস্ট স্কুল বন্ধ থাকায় সেতু তার বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে যেতে চেয়েছিল। তবে তার মা তাকে সেখানে যেতে নিষেধ করেন। এ নিয়ে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে সে আত্মহত্যা করে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। মাত্র ১১ বছর বয়সী একটি শিশুর এমন মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এটি আত্মহত্যা, নাকি মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে—তা নিয়েও সন্দেহ ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে। বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তদন্তের ফল ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের ওপরই এখন নির্ভর করছে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ। ২৯/০৮/২৬ মোঃ সাইফুল ইসলাম মিয়া ০১৭১৯৯৫৯১০৪
66
সাইফুল ইসলাম মিয়া,
বানারীপাড়া (উপজেলা) প্রতিনিধি:
বরিশালের বানারীপাড়ায় মায়ের সঙ্গে অভিমান করে সেতু হালদার (১১) নামে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে। তবে অল্প বয়সী এই শিশুর এমন অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত সেতু হালদার বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কলাভিটা গ্রামের বাসিন্দা। সে কলাভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা তপন হালদার ও মা নমিতা হালদার।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ২৮ আগস্ট স্কুল বন্ধ থাকায় সেতু তার বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে যেতে চেয়েছিল। তবে তার মা তাকে সেখানে যেতে নিষেধ করেন। এ নিয়ে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে সে আত্মহত্যা করে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। মাত্র ১১ বছর বয়সী একটি শিশুর এমন মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এটি আত্মহত্যা, নাকি মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে—তা নিয়েও সন্দেহ ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তদন্তের ফল ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের ওপরই এখন নির্ভর করছে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ।