বোয়ালখালীতে পরোয়ানা ভূক্ত আসামি গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশের উপর হামলা
Reporter Name
Update Time :
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১৩১
Time View
বোয়ালখালীতে পরোয়ানা ভূক্ত আসামি গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশের উপর হামলা
কামরুল০১৮৮৩০৮৮০৮৪ চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের হামলার মুখে পড়েছে পুলিশ, যার ফলে ৩ পুলিশ সদস্য এবং মামলার বাদীসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের ৩০ আগস্ট রবিবার রাত ১১টার দিকে বোয়ালখালী উপজেলার চরণদ্বীপ ইউনিয়নের মসজিদঘাটা এলাকায় এই তুলকালাম ঘটনাটি ঘটে।এই ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:ঘটনার বিবরণ ও আসামির পলায়নমূল আসামি: গ্রেপ্তার করতে যাওয়া আসামির নাম মোহাম্মদ মহিউদ্দিন (২৮)। তিনি একটি নালিশি মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি ছিলেন।হামলা ও ধস্তাধস্তি: পুলিশ যখন মহিউদ্দিনকে আটক করে হ্যান্ডকাফ পরায়, তখন তার পরিবারের নারী সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে আঁচড় ও কামড় দেয়। তারা পুলিশকে বাধা দিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।হ্যান্ডকাফসহ পলায়ন: এই তীব্র ধস্তাধস্তির সুযোগে মহিউদ্দিন হ্যান্ডকাফ পরিহিত অবস্থাতেই পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যান।আহতদের তালিকাএই সংঘর্ষ ও ধস্তাধস্তিতে মোট ৫ জন আহত হন এবং ৩ পুলিশ সদস্যকে বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়:এসআই আবদুল হালিম (৪৮)এএসআই মাসুম বিল্লাহ (৩৫)কনস্টেবল হাসানুজ্জামান (3২)মামলার বাদী আব্দুল মান্নান (যিনি পুলিশের সাথে আসামিকে চিনিয়ে দিতে গিয়েছিলেন)আসামির পক্ষের আরও ১ জনপুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ ও গ্রেপ্তারপুনরায় গ্রেপ্তার: আসামি পালিয়ে যাওয়ার পর বোয়ালখালী থানা পুলিশ ওই রাতেই পুরো এলাকায় একটি সাঁড়াশি অভিযান চালায়। পরবর্তীতে একই এলাকা থেকে হ্যান্ডকাফসহ মহিউদ্দিনকে আবারো গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।সহযোগী আটক: পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া এবং হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে চরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের এক গ্রাম পুলিশ সদস্যসহ (যিনি আসামির আত্মীয়) মোট দুজনকে আটক করা হয়েছে।নতুন মামলা: সরকারি কাজে বাধা দান এবং পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে বোয়ালখালী থানায় একটি নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে।এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামি বা মামলার আইনি প্রক্রিয়ার আর কোনো সর্বশেষ আপডেট (যেমন: তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে কিনা) সম্পর্কে জানতে চান?
188
কামরুল০১৮৮৩০৮৮০৮৪
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের হামলার মুখে পড়েছে পুলিশ, যার ফলে ৩ পুলিশ সদস্য এবং মামলার বাদীসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের ৩০ আগস্ট রবিবার রাত ১১টার দিকে বোয়ালখালী উপজেলার চরণদ্বীপ ইউনিয়নের মসজিদঘাটা এলাকায় এই তুলকালাম ঘটনাটি ঘটে।এই ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:ঘটনার বিবরণ ও আসামির পলায়নমূল আসামি: গ্রেপ্তার করতে যাওয়া আসামির নাম মোহাম্মদ মহিউদ্দিন (২৮)। তিনি একটি নালিশি মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি ছিলেন।হামলা ও ধস্তাধস্তি: পুলিশ যখন মহিউদ্দিনকে আটক করে হ্যান্ডকাফ পরায়, তখন তার পরিবারের নারী সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে আঁচড় ও কামড় দেয়। তারা পুলিশকে বাধা দিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।হ্যান্ডকাফসহ পলায়ন: এই তীব্র ধস্তাধস্তির সুযোগে মহিউদ্দিন হ্যান্ডকাফ পরিহিত অবস্থাতেই পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যান।আহতদের তালিকাএই সংঘর্ষ ও ধস্তাধস্তিতে মোট ৫ জন আহত হন এবং ৩ পুলিশ সদস্যকে বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়:এসআই আবদুল হালিম (৪৮)এএসআই মাসুম বিল্লাহ (৩৫)কনস্টেবল হাসানুজ্জামান (3২)মামলার বাদী আব্দুল মান্নান (যিনি পুলিশের সাথে আসামিকে চিনিয়ে দিতে গিয়েছিলেন)আসামির পক্ষের আরও ১ জনপুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ ও গ্রেপ্তারপুনরায় গ্রেপ্তার: আসামি পালিয়ে যাওয়ার পর বোয়ালখালী থানা পুলিশ ওই রাতেই পুরো এলাকায় একটি সাঁড়াশি অভিযান চালায়। পরবর্তীতে একই এলাকা থেকে হ্যান্ডকাফসহ মহিউদ্দিনকে আবারো গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।সহযোগী আটক: পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া এবং হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে চরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের এক গ্রাম পুলিশ সদস্যসহ (যিনি আসামির আত্মীয়) মোট দুজনকে আটক করা হয়েছে।নতুন মামলা: সরকারি কাজে বাধা দান এবং পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে বোয়ালখালী থানায় একটি নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে।এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামি বা মামলার আইনি প্রক্রিয়ার আর কোনো সর্বশেষ আপডেট (যেমন: তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে কিনা) সম্পর্কে জানতে চান?