চিলমারীতে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধর করে গর্ভপাতের অভিযোগ
কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
Update Time :
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
৩২
Time View
চিলমারীতে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধর করে গর্ভপাতের অভিযোগ
কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধর করে গর্ভপাতের অভিযোগ ৯৪ হাজার ৫০০ টাকা লুট ও বসতঘরে আগুন—মামলা গ্রহণ, দ্রুত বিচার ও নিরাপত্তার দাবিতে চিলমারীতে মানববন্ধন কুড়িগ্রামের চিলমারীতে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধর করে গর্ভপাত ঘটানো, বসতঘরে আগুন দেওয়া, টাকা লুট এবং স্বামীকে জিম্মি করে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও মামলা গ্রহণ করা হয়নি—এমন অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় উপজেলার রমনা ইউনিয়নের নছর উদ্দীনের মোড় এলাকায় স্থানীয় এলাকাবাসীর ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ২৬ আগস্ট মধ্যরাতে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মুদাফৎথানা বেলেরভিটার হরিণের বন্দ এলাকায় আনু বেগমের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। এ সময় চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা আনু বেগমকে বেধড়ক মারধর করা হলে তাঁর গুরুতর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে তাঁকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক পরীক্ষার পর গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা জানান বলে পরিবারের দাবি। পরিবারের আরও অভিযোগ, হামলাকারীরা আনু বেগমকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করে এবং সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ৯৪ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে যায়। একই সময়ে তাঁর স্বামীকে জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে ফাঁকা নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ও ডেমিতে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা চলে যাওয়ার সময় বসতঘরের চারপাশে পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ঘটনার সময় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেও তারা প্রয়োজনীয় পুলিশি সহায়তা পাননি। পরবর্তীতে চিলমারী থানায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৯-১০ জনের বিরুদ্ধে তিন দফায় লিখিত এজাহার দেওয়া হলেও মামলা গ্রহণ করা হয়নি। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে মানববন্ধনকারীরা বলেন, অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধর, গর্ভপাত, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মতো গুরুতর অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া জরুরি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে চিলমারী থানার ওসি নয়ন কুমার বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ বা এজাহার দেওয়া হয়নি। তাই পুলিশ মামলা নেয়নি বা মামলা নিতে গড়িমসি করেছে—এমন অভিযোগ সঠিক নয়। অভিযোগ নিয়ে থানায় এলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, পিপিএম জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন; বিষয়টি জেনে পরে জানাবেন। মানববন্ধন থেকে ভুক্তভোগী পরিবারের একটাই দাবি—অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হোক, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হোক এবং অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হোক।
71
কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধর করে গর্ভপাতের অভিযোগ ৯৪ হাজার ৫০০ টাকা লুট ও বসতঘরে আগুন—মামলা গ্রহণ, দ্রুত বিচার ও নিরাপত্তার দাবিতে চিলমারীতে মানববন্ধন
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধর করে গর্ভপাত ঘটানো, বসতঘরে আগুন দেওয়া, টাকা লুট এবং স্বামীকে জিম্মি করে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও মামলা গ্রহণ করা হয়নি—এমন অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় উপজেলার রমনা ইউনিয়নের নছর উদ্দীনের মোড় এলাকায় স্থানীয় এলাকাবাসীর ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ২৬ আগস্ট মধ্যরাতে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মুদাফৎথানা বেলেরভিটার হরিণের বন্দ এলাকায় আনু বেগমের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। এ সময় চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা আনু বেগমকে বেধড়ক মারধর করা হলে তাঁর গুরুতর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে তাঁকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক পরীক্ষার পর গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা জানান বলে পরিবারের দাবি।
পরিবারের আরও অভিযোগ, হামলাকারীরা আনু বেগমকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করে এবং সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ৯৪ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে যায়। একই সময়ে তাঁর স্বামীকে জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে ফাঁকা নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ও ডেমিতে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা চলে যাওয়ার সময় বসতঘরের চারপাশে পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ঘটনার সময় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেও তারা প্রয়োজনীয় পুলিশি সহায়তা পাননি। পরবর্তীতে চিলমারী থানায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৯-১০ জনের বিরুদ্ধে তিন দফায় লিখিত এজাহার দেওয়া হলেও মামলা গ্রহণ করা হয়নি।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে মানববন্ধনকারীরা বলেন, অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধর, গর্ভপাত, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মতো গুরুতর অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া জরুরি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে চিলমারী থানার ওসি নয়ন কুমার বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ বা এজাহার দেওয়া হয়নি। তাই পুলিশ মামলা নেয়নি বা মামলা নিতে গড়িমসি করেছে—এমন অভিযোগ সঠিক নয়। অভিযোগ নিয়ে থানায় এলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, পিপিএম জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন; বিষয়টি জেনে পরে জানাবেন।
মানববন্ধন থেকে ভুক্তভোগী পরিবারের একটাই দাবি—অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হোক, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হোক এবং অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হোক।