লোহাগাড়া থানা এলাকায় বাড়ি লুট হওয়ার পর দোকান লুট
Reporter Name
Update Time :
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
৫২
Time View
লোহাগাড়া থানা এলাকায় বাড়ি লুট হওয়ার পর দোকান লুট
কামরুল০১৮৮৩০৮৮০৮৪ লোহাগাড়ায় রাতের আঁধারে একদল দুর্বৃত্ত এক স্বাপ্তাহর মধ্যে পাঁচটি ঘর লুট করে নিয়ে যাওয়ার পর অবশেষে মালামালসহ তিনটি দোকান লুট হয়ে গেছে অথচ এই নিয়ে থানা পুলিশের কোন মাথাব্যথা নেই । এই বিষয়ে এলাকাবাসী বলেন যেইখানে সাংবাদিক পরিবারের কোন নিরাপত্তা নেই সেখানে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কি ? গত জুম্মাবার দিবাগত রাতে লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর ইউনিয়নের খাঁনহাট বাজারে দোকান লুটের ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলেন আবুল কালামের মোবাইলের দোকান, জাহাঙ্গীর আলমের চায়ের দোকান এবং ওসমান গণির পানের দোকান। এতে তাদের ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন। ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম জানান, প্রতিদিনের মতো রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি চলে যান তিনি। গতকাল শনিবার সকালে এসে দেখেন দোকানের কোনো অস্তিত্ব নেই। মালামালসহ পুরো দোকানটাই তুলে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। তার পাশের কালামের মোবাইলের দোকান এবং ওসমানের পানের দোকানও মালামালসহ একইভাবে তুলে নিয়ে গেছে। তাদের দীর্ঘদিনের ব্যবসা এক রাতেই শেষ হয়ে গেছে। দোকানের মালিক মোহাম্মদ মহসিন জানান, পৈত্রিক জায়গায় প্রায় ৩০ বছর ধরে দোকান করে ভাড়া দিয়ে আসছেন তিনি। কিন্তু গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা তিনটি দোকানই তুলে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করলেও প্রশাসন নীরব । লোহাগাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানান, এ ঘটনায় থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি কিন্তু সাংবাদিক ফরহাদের বাড়ি লুট হওয়ার পর থানায় অভিযোগ করেন কিন্তু এখনো পর্যন্ত পুলিশের কোন প্রকার ভূমিকা চোখে পড়েনি । এদিকে খবর পেয়ে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্তরা আইনের আশ্রয় নিলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
90
কামরুল০১৮৮৩০৮৮০৮৪
লোহাগাড়ায় রাতের আঁধারে একদল দুর্বৃত্ত এক স্বাপ্তাহর মধ্যে পাঁচটি ঘর লুট করে নিয়ে যাওয়ার পর অবশেষে মালামালসহ তিনটি দোকান লুট হয়ে গেছে অথচ এই নিয়ে থানা পুলিশের কোন মাথাব্যথা নেই । এই বিষয়ে এলাকাবাসী বলেন যেইখানে সাংবাদিক পরিবারের কোন নিরাপত্তা নেই সেখানে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কি ? গত জুম্মাবার দিবাগত রাতে লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর ইউনিয়নের খাঁনহাট বাজারে দোকান লুটের ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলেন আবুল কালামের মোবাইলের দোকান, জাহাঙ্গীর আলমের চায়ের দোকান এবং ওসমান গণির পানের দোকান। এতে তাদের ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন।
ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম জানান, প্রতিদিনের মতো রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি চলে যান তিনি। গতকাল শনিবার সকালে এসে দেখেন দোকানের কোনো অস্তিত্ব নেই। মালামালসহ পুরো দোকানটাই তুলে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। তার পাশের কালামের মোবাইলের দোকান এবং ওসমানের পানের দোকানও মালামালসহ একইভাবে তুলে নিয়ে গেছে। তাদের দীর্ঘদিনের ব্যবসা এক রাতেই শেষ হয়ে গেছে।
দোকানের মালিক মোহাম্মদ মহসিন জানান, পৈত্রিক জায়গায় প্রায় ৩০ বছর ধরে দোকান করে ভাড়া দিয়ে আসছেন তিনি। কিন্তু গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা তিনটি দোকানই তুলে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করলেও প্রশাসন নীরব ।
লোহাগাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানান, এ ঘটনায় থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি কিন্তু সাংবাদিক ফরহাদের বাড়ি লুট হওয়ার পর থানায় অভিযোগ করেন কিন্তু এখনো পর্যন্ত পুলিশের কোন প্রকার ভূমিকা চোখে পড়েনি ।
এদিকে খবর পেয়ে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্তরা আইনের আশ্রয় নিলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।