
কামরুল ০১৮৮৩০৮৮০৮৪
চট্টগ্রামের খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও দুই উপ-পরিদর্শকসহ (এসআই) আটজনের বিরুদ্ধে বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট এবং রাবার বুলেট নিক্ষেপের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মো. জাবেদ (৬৬) নামের একব্যক্তি মামলাটি দায়ের করেন।
তিনি চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াকিল হোসেন ওরফে বিহারী বগার বাবা
বাদীর আইনজীবী এস এম মইনুল ইসলাম জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার আসামিরা হলেন, খুলশী থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুর রহিম, এসআই নিরস্ত্র মো. শাহ পরান, মো. আনোয়ার হোসেন, জালালাবাদের মেম্বার, যুবলীগের সদস্য বাবু প্রকাশ, পাহাড়তলী কলেজ এলাকা মো. মিজানুর রহমান, পশ্চিম খুলশী এলাকার আমান উল্লাহ আমান, নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির আরিফ, আসাদ উল্লাহ।
মামলার আরজিতে বলা হয়, গত ৪ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে খুলশী থানার ১৩ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের ওয়্যারলেস মোড়ে বাদীর বাড়িতে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে ভাঙচুর, লুটপাট ও মারধর করা হয়। এ সময় রাবার বুলেট নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। এতে প্রায় ১৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বাদী।
আদালতে দায়ের করা অভিযোগে জাবেদ বলেন, আসামিরা তার বসতঘরে প্রবেশ করে আসবাবপত্র, দরজা, জানালা ও অন্যান্য মালামাল ভাঙচুর করেন। এতে আনুমানিক তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়। পরে তার পুত্রবধূ রীখা বেগমের ঘরে প্রবেশ করে ওয়ারড্রব ভেঙে নগদ আট লাখ টাকা ও প্রায় তিন ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৯ আগস্ট পাহাড়তলী কলেজের এক শিক্ষককে তুলে নিয়ে মারধরের ঘটনায় খুলশী থানায় একটি মামলা হয়, যেখানে বাদীর ছেলে ওয়াকিল হোসেনকে আসামি করা হয়েছিল। পুলিশের দাবি, ওই মামলার জেরে গত ৪ সেপ্টেম্বর ভোরে ওয়াকিলকে গ্রেপ্তার করতে গেলে তার অনুসারীরা রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর করে। সেই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে ২১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২৫০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল।