
ফারুকুর রহমান বিনজু, পটিয়া চট্টগ্রাম,প্রতিনিধি-চট্টগ্রামের পটিয়ায় সিজারিয়ান প্রসুতি সাদিয়া সুলতানা সেতুর(২৩) মৃত্যুতে,ডাক্তার মিনা বড়ুয়ার সংবাদ সম্মেলন।
সোমবার( ১৪ই সেপ্টেম্বর)বিকাল ৫টায় পটিয়া শেভরন হাসপাতালে স্ত্রী ও প্রসুতি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মিনা বড়ুয়া পটিয়া কর্মরত সকল সাংবাদিকদের নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।এতে তিনি বলেন,সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে রোগীর পরস্হিতি অবনতি ঘটলে তাকে আ
মরা চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করি।অস্ত্রোপচারের পর রোগী পিপিএইচ রোগে আক্রান্ত হয়,যাহা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নাই এখানে আমার বা আমাদের কারো বিন্দু মাত্র অবহেলা ছিল না।সার্জারী বিশেষজ্ঞ না হয়ে কেন সার্জারী করতে গেলেন জানতে চাইলে তিনি সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।
উল্লেখ যে,গত রবিবার(১৩ই সেপ্টেম্বর) রাত ৩টায় সেতুর প্রসব বেদনা দেখা দিলে তাকে পটিয়া শেভরন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।দুপুর ৩টায় ডাক্তার মিনা বড়ুয়া তাকে সিজার করতে ওটিতে নিয়ে যায়।সিজার করে একটি বাচ্চা সন্তান প্রসব করে।এমন সময় প্রসুতি সেতুর অতিরিক্ত রক্ত করণ দেখা দিলে তাকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। চমেক হাসপাতালে রাত৮টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।এতে সেতুর পরিবার আত্মীয় স্বজনরা ডাক্তার মিনা বড়ুয়ার অবহেলার কারণে সেতুর মৃত্যু ঘটে বলে অভিযোগ আনেন।এতে এরা ক্ষিপ্ত হয়ে শেভরণ হাসপাতাল ঘিরে রেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে।এ ছাড়া ডাক্তার মিনা বড়ুয়ার বিরুদ্ধে রোগী,অভিভাবকদের সাথে খারাপ ব্যবহার করার অভিযোগ পাওয়া যায়।মা হারা নবজাতক শিশুটি বর্তমান সুস্হ আছে।
পটিয়া স্বাস্হ্য কর্মকর্তা আবু তৈয়ব ঘটনার পর হাসপাতালটি পরিদর্শন করে এবং ৩সদস্য বিশিস্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।
সাদিয়া সুলতানা সেতুর সবেমাত্র বিয়ের ১বছর হল।স্বামী প্রবাসী জসিম উদ্দীন,পটিয়া হাইদগাও ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড চত্তার মাকের্ট তার স্বশুর বাড়ী।পিতার বাড়ী পটিয়া ছনহরা ইউনিয়নে ৮নং ওয়ার্ডের ধাউরডেংগা গ্রামে।নুরুল ইসলাম তার পিতার নাম।তাকে হারিয়ে দুটি পরিবারের আত্নীয় স্বজনদের কান্নার রোলে আকাশ ভারী হয়ে উঠছে।যেন কেউ থামানোর নাই।শোকের মাতম বয়ে চলছে দুটি পরিবারে।