নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর ঝোপ থেকে ৭ বছরের ছাত্রীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
সাধন সাহা জয় স্টাফ রিপোর্টার
Update Time :
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
৩৭
Time View
নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর ঝোপ থেকে ৭ বছরের ছাত্রীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
সাধন সাহা জয় স্টাফ রিপোর্টার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিদ্যাকুট গ্রামে নিখোঁজের প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর মিম (৭) নামের এক মাদরাসাছাত্রীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে বিদ্যাকুট গ্রামের একটি পুকুরপাড়সংলগ্ন ঝোপ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো এলাকায় গভীর শোক ও চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত মিম উপজেলার বিদ্যাকুট গ্রামের মিজানুর রহমানের মেয়ে। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিল শিশু মিম। পরিবারের লোকজন সম্ভাব্য সব স্থানে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি। অবশেষে ঘটনার দুই দিন পর সোমবার বিকেলে বিদ্যাকুট বড় বাড়ির পুকুরপাড়ের একটি ঝোপের ভেতর শিশুটির অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে তারা দ্রুত পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং ঝোপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিহতের বাবা মিজানুর রহমান বলেন, “আমার শিশু মেয়েটা এভাবে চলে যাবে, তা কখনো কল্পনাও করিনি।” এ বিষয়ে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত চলছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
70
সাধন সাহা জয়
স্টাফ রিপোর্টার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিদ্যাকুট গ্রামে নিখোঁজের প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর মিম (৭) নামের এক মাদরাসাছাত্রীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে বিদ্যাকুট গ্রামের একটি পুকুরপাড়সংলগ্ন ঝোপ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো এলাকায় গভীর শোক ও চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত মিম উপজেলার বিদ্যাকুট গ্রামের মিজানুর রহমানের মেয়ে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিল শিশু মিম। পরিবারের লোকজন সম্ভাব্য সব স্থানে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি। অবশেষে ঘটনার দুই দিন পর সোমবার বিকেলে বিদ্যাকুট বড় বাড়ির পুকুরপাড়ের একটি ঝোপের ভেতর শিশুটির অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে তারা দ্রুত পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং ঝোপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিহতের বাবা মিজানুর রহমান বলেন, “আমার শিশু মেয়েটা এভাবে চলে যাবে, তা কখনো কল্পনাও করিনি।”
এ বিষয়ে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত চলছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।