মাহিন আহমেদ কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সালফি। শনিবার পৌরসভার সামনে সড়ক দুর্ঘটনার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছিল। রোববার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। নিহত সালফি বাজিতপুরের আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে উপজেলার বলিয়ারদী পুরানবাড়ি এলাকার মো. রফিকুল ইসলাম রোকন ও বলিয়ারদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা শিল্পী আক্তারের একমাত্র সন্তান। শনিবার পৌরসভার সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয় সালফি। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার পরও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। সালফির মৃত্যুর খবরে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে দিশেহারা তার বাবা-মা। দুর্ঘটনার পর থেকে স্বজনদের মনে ছিল, চিকিৎসার মাধ্যমে হয়তো সুস্থ হয়ে আবারও পরিবারের মাঝে ফিরবে সালফি। কিন্তু রোববার সকালে সেই আশার অবসান ঘটে। এদিকে, সালফির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহপাঠী, শিক্ষক ও স্থানীয়দের মধ্যেও শোকের ছায়া নেমে আসে। অকালেই ঝরে যাওয়া এই শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে শোকাহত তার সহপাঠী ও শিক্ষকরা। একটি সড়ক দুর্ঘটনা কেড়ে নিল পরিবারের একমাত্র সন্তানকে। থেমে গেল একটি পরিবারের ভবিষ্যৎ ঘিরে দেখা অসংখ্য স্বপ্ন।
57
মাহিন আহমেদ
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সালফি। শনিবার পৌরসভার সামনে সড়ক দুর্ঘটনার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছিল। রোববার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
নিহত সালফি বাজিতপুরের আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে উপজেলার বলিয়ারদী পুরানবাড়ি এলাকার মো. রফিকুল ইসলাম রোকন ও বলিয়ারদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা শিল্পী আক্তারের একমাত্র সন্তান।
শনিবার পৌরসভার সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয় সালফি। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার পরও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
সালফির মৃত্যুর খবরে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে দিশেহারা তার বাবা-মা। দুর্ঘটনার পর থেকে স্বজনদের মনে ছিল, চিকিৎসার মাধ্যমে হয়তো সুস্থ হয়ে আবারও পরিবারের মাঝে ফিরবে সালফি। কিন্তু রোববার সকালে সেই আশার অবসান ঘটে।
এদিকে, সালফির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহপাঠী, শিক্ষক ও স্থানীয়দের মধ্যেও শোকের ছায়া নেমে আসে। অকালেই ঝরে যাওয়া এই শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে শোকাহত তার সহপাঠী ও শিক্ষকরা।
একটি সড়ক দুর্ঘটনা কেড়ে নিল পরিবারের একমাত্র সন্তানকে। থেমে গেল একটি পরিবারের ভবিষ্যৎ ঘিরে দেখা অসংখ্য স্বপ্ন।