ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৮৩টি আসনের ট্রেনের টিকিটসহ আটক, ৩ মাসের কারাদণ্ড
সাধন সাহা জয় স্টাফ রিপোর্টার
Update Time :
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
২১
Time View
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৮৩টি আসনের ট্রেনের টিকিটসহ আটক, ৩ মাসের কারাদণ্ড
সাধন সাহা জয় স্টাফ রিপোর্টার ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের টিকিট জালিয়াতির অভিযোগে মো. রিপন মিয়া ওরফে কালু মিয়া (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে রেলওয়ে পুলিশ। এ সময় তাঁর কাছ থেকে বিভিন্ন ট্রেনের ৮৩টি আসনের টিকিট উদ্ধার করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ১০ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত রিপন মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের উত্তর মৌড়াইল এলাকার হারুন মিয়ার ছেলে। তাঁর কাছ থেকে ৮৩টি আসনের বিপরীতে ৪০টি টিকিট উদ্ধার করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে। টিকিটের নাম ও তারিখ পরিবর্তন করে একই টিকিট একাধিক যাত্রীর কাছে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। একটি টিকিট ১০ থেকে ১২ জন যাত্রীর কাছে বিক্রি করার অভিযোগও উঠে এসেছে। এ ঘটনায় যাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণার বিষয়টি সামনে এসেছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাঁকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন। অভিযানের সময় রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। রেলওয়ে স্টেশনে টিকিট জালিয়াতি ও কালোবাজারি প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
43
সাধন সাহা জয়
স্টাফ রিপোর্টার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের টিকিট জালিয়াতির অভিযোগে মো. রিপন মিয়া ওরফে কালু মিয়া (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে রেলওয়ে পুলিশ। এ সময় তাঁর কাছ থেকে বিভিন্ন ট্রেনের ৮৩টি আসনের টিকিট উদ্ধার করা হয়।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ১০ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত রিপন মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের উত্তর মৌড়াইল এলাকার হারুন মিয়ার ছেলে। তাঁর কাছ থেকে ৮৩টি আসনের বিপরীতে ৪০টি টিকিট উদ্ধার করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে।
টিকিটের নাম ও তারিখ পরিবর্তন করে একই টিকিট একাধিক যাত্রীর কাছে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। একটি টিকিট ১০ থেকে ১২ জন যাত্রীর কাছে বিক্রি করার অভিযোগও উঠে এসেছে। এ ঘটনায় যাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণার বিষয়টি সামনে এসেছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাঁকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন।
অভিযানের সময় রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
রেলওয়ে স্টেশনে টিকিট জালিয়াতি ও কালোবাজারি প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।