
কামরুল০১৮৮৩০৮৮০৮৪.
সিএমপি’র সদরঘাট থানা এলাকায় সাহসী চৌকষ ক্যাডেট পুলিশ অফিসার ইনচার্জ ওসি একেরামুলের বিশেষ অভিযান, এই অভিযানে দেশীয় অস্ত্র (রামদা ও টিপছোরা) সহ কিশোর গ্যাং নুরু বাহিনীর ০৩ (তিন) সদস্য কে গ্রেফতার। বিশেষ সূত্রে জানা যায় লুন্ঠিত ০১টি অটোরিক্সা ও উদ্ধার করা হয়েছে।
বিগত ইং ১৮/১০/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ০০.৫০ ঘটিকার সময় সদরঘাট থানাধীন পশ্চিম মাদারবাড়ি ১নং গলির মুখে পাকা রাস্তার উপর কিশোর গ্যাং লিডার নুরুর নেতৃত্বে ১৪/১৫ জন কিশোর গ্যাং সদস্য দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র কিরিচ, চাপাতি ও টিপ ছোরা নিয়া আকস্মিকভাবে দলবদ্ধ হইয়া ত্রাস সৃষ্টি করিয়া স্থানীয় জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং গুরুতর জখমের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অটোরিক্সা ড্রাইভার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন(২৪)কে মারধর করতঃ অটোরিক্সা ছিনিয়ে নেয়। উক্ত ঘটনায় অটোরিক্সার মালিক জনৈক আহমদ নুর(২০) সদরঘাট থানায় হাজির হইয়া লিখিত এজাহার দায়ের করিলে সাহসী , চৌকষ , ক্যাডেট পুলিশ অফিসার ইনচার্জ ওসি একেরামুলের নেতৃত্বে একটি অভিযান চালিয়ে নুরুল কে গ্রেফতার করেন এবং সদরঘাট থানায় মামলা রুজু করা হয় মামলা নং-১০, তারিখ-১৯/১০/২০২৬ইং, ধারা-আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) আইন, ২০২৪ এর ৪(১) রুজু করিয়া মামলার তদন্তভার এসআই(নিঃ)/ফারুক আহমদ এর উপর ন্যস্ত করেন। একই তারিখ ইং ১৮/১০/২০২৬ রাত অনুমান ০৪:৪৫ ঘটিকার সময় বর্ণিত আসামীরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সদরঘাট থানাধীন মোগলটুলি কমার্স কলেজ রোড সৈয়দিয়া ম্যানশনের বিপরীতে পাকা রাস্তার উপর ভিকটিম মোঃ জাহেদ (২৭) কে পাইয়া সৈয়দিয়া ম্যানশনের বিপরীতে মাহবুব সওদাগরের গলিস্থ নুর নাহার এর পরিত্যক্ত ঘরের কক্ষের ভিতর নিয়া হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাথাড়ী চাপাতি, কিরিচ দিয়ে কোপাইয়া এবং ছুরি দিয়ে ঘাই মারিয়া ডান পায়ের পাতা ও বাম পায়ের গোড়ালী এবং ডান হাতের তালুতে গুরুতর জখম করে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিম মোঃ জাহেদ (২৭) এর ভাই ইকবাল হোসেন (৩০) বাদী হয়ে সদরঘাট থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করিলে অফিসার ইনচার্জ মহোদয় সদরঘাট থানার মামলা নং-০৯, তারিখ-১৯/১০/২০২৬ইং, ধারা-১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৫০৬/৩৪, পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু করিয়া মামলার তদন্তভার এসআই(নিঃ)/মোঃ শাহজাহান এর উপর অর্পণ করেন।
সম্মানিত উপ-পুলিশ কমিশনার(দক্ষিণ) মহোদয়ের দিক নির্দেশনায়, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালী জোন) মহোদয়ের তত্ত্বাবধানে, সদরঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ এর নেতৃত্বে এসআই(নিঃ)/জমির উদ্দিন, এসআই(নিঃ)/শাহাদাত হোসাইন, এসআই(নিঃ)/মিজানুর রহমান চৌধুরী, এসআই(নিঃ)/আব্দুল্লাহ আল নোমান, এসআই(নিঃ)/শাহ আলম, এসআই(নিঃ)/ফারুক আহমদ, এসআই(নিঃ)/মোঃ শাহ জাহানসহ সদরঘাট থানার একটি অভিযানিক টিম সিএমপি’র পাহাড়তলী থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া বর্ণিত নুরু বাহিনীর ০৩জন আসামীকে গ্রেফতার করেন। পরবর্তীতে ধৃত আসামীদের দেওয়া তথ্য মতে লুণ্ঠিত ০১টি অটোরিক্সা উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনায় ব্যবহৃত ০১টি ধারালো রামদা ও ০১টি টিপছোরা উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। আসামীদের বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বর্ণিত মামলার ঘটনায় জড়িত অপরাপর আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীঃ
১। মোঃ সাগর (২৫), পিতা-মৃত মোঃ হেলাল হোসেন, মাতা-মনিরা বেগম, বর্তমান সাং-পূর্ব মাদারবাড়ী, সরকার পুকুরপাড়, হিরোর বিল্ডিং ৪র্থ তলা, থানা-সদরঘাট, জেলা-চট্টগ্রাম (ভাসমান)।
২। মোঃ শরীফ (২২), পিতা-আলিম উদ্দিন, মাতা-নাজমা বেগম, সাং-সৈয়দ টুলা, দানেশ উদ্দিন এর বাড়ী, থানা-সরাইল, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বর্তমানে-পশ্চিম মাদারবাড়ী, কমান্ডার গলি, নাজের এর ভাড়াঘর, থানা-সদরঘাট, জেলা-চট্টগ্রাম।
৩। মোঃ সজীব (২৫), পিতা-আব্দুর রাজ্জাক, মাতা-রাজিয়া বেগম, সাং-নোহাইর, মোল্লা বাড়ী, থানা-মকসুদপুর, জেলা-গোপালগঞ্জ, বর্তমানে-পূর্ব মাদারবাড়ী রাবেয়া ওয়ার্কসপ, মাহবুব এর ভাড়াঘর, থানা-সদরঘাট, জেলা-চট্টগ্রাম। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা বিচারাধীন আছে।