1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. mdrouf834@gmail.com : dailybangladeshpatrika :
১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শুক্রবার| বিকাল ৫:০৩|
Title :
ডাঃ শেখ ফরহাদ হোসেন অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাওয়ায় মুন্সিগঞ্জ জেলা ৯৩ বন্ধুদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন দিনাজপুরের হিলিতে নিজ মেয়েকে ভুট্টার ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে পিতা গ্রেফতার পীরগাছায় ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ মেলার উদ্বোধন- সুন্দরগঞ্জের জহুরুল হাট হাজী এলাহী উচ্চ বিদ্যালয়ের (জাতীয় শ্রেষ্ঠ পুরুষ্কার প্রাপ্ত) এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ভোলাহাটে জ্বালানী তেলের সঙ্কটে দিশেহারা কৃষক সাতক্ষীরায় বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর শিক্ষক দম্পতিকে ইট ছুড়ে গুরুতর জখম   বিএনপির নাম ব্যবহার করে পটিয়া কাঁচাবাজার দখলের চেষ্টা কুকুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে হাজী মো. রুহুল আমিনের দোয়া ও সমর্থন কামনা: শ্রীমঙ্গল কালাপুর ইউনিয়ন পুত্রের হাতে পিতা খুন বড় ভাই গুরুতর আহত

দাগনভুঁইয়া পিআইও’র বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক আবু বক্কর ছিদ্দিক ফেনী।
  • Update Time : বুধবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৬,
  • 95 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক আবু বক্কর ছিদ্দিক ফেনী।
কমিশন বাণিজ্য, অনিয়ম, ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ ও অসদাচরণের অভিযোগে প্রশাসনের দ্বারস্থ ভুক্তভোগীরা
ফেনী জেলার দাগনভুঁইয়া উপজেলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রবিউল হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ঠিকাদার, স্থানীয় জনগণ ও সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, টিআর (টেস্ট রিলিফ) ও কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) প্রকল্পে কাজ পেতে এবং বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন নেওয়া হয়। এতে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, পিআইও রবিউল হোসেন অফিস কার্যক্রম পরিচালনায় একটি নিজস্ব বাহিনী ব্যবহার করেন, যা প্রশাসনিক পরিবেশকে ভীতিকর করে তুলেছে। তার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, অফিসে বসেই তিনি চাউলের ডিলারির মতো কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং টিআর ও কাবিখা প্রকল্পগুলো নিজেই নিয়ন্ত্রণ করেন। ফলে কোনো ঠিকাদার স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পান না। কাজ করতে গেলে তাকে বাধ্যতামূলকভাবে ১৫ শতাংশ কমিশন দিতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, প্রকল্পের কাজ শেষে বিল উত্তোলনের ক্ষেত্রেও নতুন করে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ দাবি করা হয়। অন্যথায় বিল প্রদান বিলম্বিত করা হয় এবং কখনো কখনো অকথ্য ভাষায় গালাগালির শিকার হতে হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট পিআইও’র আচরণ একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তির মতো এবং তিনি সরকারি অর্থকে নিজের ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে ব্যবহার করেন। নিয়মিত অফিস না করা এবং দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টিও অভিযোগের তালিকায় রয়েছে।
এইসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগীরা মহাপরিচালক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর (ডিডিএম), ফেনী জেলা প্রশাসক, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ফেনী কার্যালয়, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা, এবং দাগনভুঁইয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিতভাবে অভিযোগ দাখিল করেছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা আশা করছেন, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।
দাগনভুঁইয়া উপজেলার উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় জনস্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

More News Of This Category
All rights reserved ©2026