১৫ বছর পর চালু হলো বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জেনারেটর,তেলের অভাবে অনিশ্চয়তা
সাকিব হোসেন পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ-
Update Time :
রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
৫৭
Time View
১৫ বছর পর চালু হলো বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জেনারেটর,তেলের অভাবে অনিশ্চয়তা
সাকিব হোসেন পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ- পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘ ১৫ বছর অকেজো পড়ে থাকার পর পুনরায় সচল করা হয়েছে জেনারেটর। আজ রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে জেনারেটরটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। তবে দীর্ঘ দেড় দশক পর এটি সচল হলেও সরকারিভাবে তেলের বরাদ্দ না থাকায় নিয়মিত সেবা প্রদান নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে তীব্র গরম ও ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের জীবন ওষ্ঠাগত হয়ে পড়েছিল। বিদ্যুৎ না থাকলে ওয়ার্ডগুলোতে অন্ধকার ও অসহনীয় গুমোট পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো। এমন অবস্থায় স্থানীয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রুমেন সিকদার হাসপাতালের ভেতরের চিত্র তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও প্রকাশ করেন এবং প্রতিবাদ জানান। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার আলতাফ ও তার ছেলে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এগিয়ে আসেন। তারা নিজস্ব অর্থায়নে অকেজো জেনারেটরটি মেরামতের দায়িত্ব নেন এবং সরকারি অনুমতি সাপেক্ষে আজ তা সচল করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রউফ জানান, জেনারেটরটি মেরামত ও তেলের বরাদ্দের জন্য একাধিকবার লিখিত আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বরাদ্দ মেলেনি। স্থানীয়দের সহায়তায় জেনারেটরটি ঠিক করা গেলেও জ্বালানি তেল ছাড়া এটি নিয়মিত চালানো সম্ভব নয়। জরুরি বিভাগ ও গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত তেলের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। বার্তা প্রেরকঃ- সাকিব হোসেন পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি তারিখঃ২৬/৪/২০২৬ইং
81
সাকিব হোসেন পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ-
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘ ১৫ বছর অকেজো পড়ে থাকার পর পুনরায় সচল করা হয়েছে জেনারেটর। আজ রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে জেনারেটরটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। তবে দীর্ঘ দেড় দশক পর এটি সচল হলেও সরকারিভাবে তেলের বরাদ্দ না থাকায় নিয়মিত সেবা প্রদান নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে তীব্র গরম ও ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের জীবন ওষ্ঠাগত হয়ে পড়েছিল। বিদ্যুৎ না থাকলে ওয়ার্ডগুলোতে অন্ধকার ও অসহনীয় গুমোট পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো। এমন অবস্থায় স্থানীয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রুমেন সিকদার হাসপাতালের ভেতরের চিত্র তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও প্রকাশ করেন এবং প্রতিবাদ জানান। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার আলতাফ ও তার ছেলে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এগিয়ে আসেন। তারা নিজস্ব অর্থায়নে অকেজো জেনারেটরটি মেরামতের দায়িত্ব নেন এবং সরকারি অনুমতি সাপেক্ষে আজ তা সচল করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রউফ জানান, জেনারেটরটি মেরামত ও তেলের বরাদ্দের জন্য একাধিকবার লিখিত আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বরাদ্দ মেলেনি। স্থানীয়দের সহায়তায় জেনারেটরটি ঠিক করা গেলেও জ্বালানি তেল ছাড়া এটি নিয়মিত চালানো সম্ভব নয়। জরুরি বিভাগ ও গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত তেলের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
বার্তা প্রেরকঃ-
সাকিব হোসেন
পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
তারিখঃ২৬/৪/২০২৬ইং