যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বৃষ্টির পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসন
মো.সাব্বির আহমেদ মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি
Update Time :
সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
৬০
Time View
যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বৃষ্টির পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসন
মো.সাব্বির আহমেদ মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি।। যুক্তরাষ্ট্রে নিহত মাদারীপুরের তরুণী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির পরিবারের খোঁজখবর নিতে এগিয়ে এসেছে জেলা প্রশাসন। সোমবার(২৭ এপ্রিল ) দুপুরে জেলা প্রশাসক মিজ মর্জিনা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব , খোয়াজপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধিসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের চর গোবিন্দপুর গ্রামে বৃষ্টির বাড়িতে যান। সেখানে তারা পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং সার্বিক সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন। বৃষ্টির বাবা জহির আকন কর্মসূত্রে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে বসবাস করায় জেলা প্রশাসক তার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন। এ সময় পরিবারের যে কোনো প্রয়োজনীয় বিষয়ে প্রশাসন পাশে থাকবে বলে জানান তিনি। মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়ায়ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করার পর প্রায় সাত মাস আগে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যান নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। সেখানে পড়ালেখার সময় সহপাঠী জামিল আহম্মেদ লিমনের সঙ্গে তার পরিচয় গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে একটি বিরোধকে কেন্দ্র করে গত ১৬ এপ্রিল বৃষ্টি ও লিমন নিখোঁজ হন। কয়েকদিন পর জামিল আহম্মেদ লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তদন্তের একপর্যায়ে বৃষ্টিকেও হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় হিশাম নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বৃষ্টির মৃত্যুর খবরে তার নিজ এলাকায় শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
88
মো.সাব্বির আহমেদ
মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি।।
যুক্তরাষ্ট্রে নিহত মাদারীপুরের তরুণী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির পরিবারের খোঁজখবর নিতে এগিয়ে এসেছে জেলা প্রশাসন। সোমবার(২৭ এপ্রিল ) দুপুরে জেলা প্রশাসক মিজ মর্জিনা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব , খোয়াজপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধিসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের চর গোবিন্দপুর গ্রামে বৃষ্টির বাড়িতে যান। সেখানে তারা পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং সার্বিক সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।
বৃষ্টির বাবা জহির আকন কর্মসূত্রে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে বসবাস করায় জেলা প্রশাসক তার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন। এ সময় পরিবারের যে কোনো প্রয়োজনীয় বিষয়ে প্রশাসন পাশে থাকবে বলে জানান তিনি। মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়ায়ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করার পর প্রায় সাত মাস আগে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যান নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। সেখানে পড়ালেখার সময় সহপাঠী জামিল আহম্মেদ লিমনের সঙ্গে তার পরিচয় গড়ে ওঠে।
পরবর্তীতে একটি বিরোধকে কেন্দ্র করে গত ১৬ এপ্রিল বৃষ্টি ও লিমন নিখোঁজ হন। কয়েকদিন পর জামিল আহম্মেদ লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তদন্তের একপর্যায়ে বৃষ্টিকেও হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় হিশাম নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বৃষ্টির মৃত্যুর খবরে তার নিজ এলাকায় শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন।